আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান আইনহীবী মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী। হাইকোর্টের ফাইল ছবি

বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করার নির্দেশ

বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মাদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৩:৪১ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৩:৪১
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৩:৪১ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৩:৪১


আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান আইনহীবী মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী। হাইকোর্টের ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এই নির্দেশের পাশাপাশি রুল জারি করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে এক মাসের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

৩১ অক্টোবর, বুধবার এ বিষয়ে দায়ের করা এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মাদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

এর আগে গঠনতন্ত্রের সপ্তম ধারা বিলুপ্ত করায় রাজধানীর কাফরুলের বিএনপিকর্মী মোজাম্মেল হোসেন সংক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

আজকের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান আইনহীবী মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী

বিএনপির গঠনতন্ত্রের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, দুর্নীতি পরায়ণ ব্যক্তি বিএনপির কোনো পর্যায়ের কমিটির সদস্য কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে ‘অযোগ্য’ বিবেচিত হবেন।

কিন্তু গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। পাশাপাশি তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে দেওয়া হয় ১০ বছর করে কারাদণ্ড। ফলে দলের শীর্ষ দুই নেতার পদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।

কিন্তু সেই বিপদ এড়াতে রায় ঘোষণার মাত্র এক সপ্তাহ আগে গত ২৮ জানুয়ারি বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির কাউন্সিলে এসব সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

আট পৃষ্ঠার ওই সংশোধনী প্রস্তাবের বিষয়ে দলীয় চেয়ারপারসন ও কাউন্সিল অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে খালেদা জিয়া ইসিতে পাঠানো চিঠিতে লিখেন, ‘উপরোক্ত সংশোধনীগুলো কাউন্সিলের অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হলে কাউন্সিল সর্বসম্মতিক্রমে তা অনুমোদন করে। একই সঙ্গে কাউন্সিলের গৃহীত সংশোধনী অনুযায়ী অনুচ্ছেদ ও উপ-অনুচ্ছেদগুলোর ক্রমিকের অনিবার্য পরিবর্তন, ভাষা ও ছাপার ভুলগুলো সংশোধন করার প্রস্তাবও কাউন্সিলের অনুমোদিত হয়।’

প্রিয় সংবাদ/ইতি/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...