বার ভবনের নিচে কর্মসূচি ঘোষণা করেন সভাপতি জয়নুল আবেদীন। ফাইল ছবি

সারা দেশে মানববন্ধন করবে সুপ্রিম কোর্ট বার

জয়নুল আবেদীন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের পূর্বঘোষিত আদালত বর্জন কর্মসূচিকে বাধা দিয়েছে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা।’

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:৩৪ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:৩৪
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:৩৪ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:৩৪


বার ভবনের নিচে কর্মসূচি ঘোষণা করেন সভাপতি জয়নুল আবেদীন। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) আদালত বর্জনের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সারা দেশের বারগুলোতে মানববন্ধনের ঘোষণা করা হয়েছে।

৩১ অক্টোবর, বুধবার দুপুরে বার ভবনের নিচে এমন কর্মসূচি ঘোষণা করেন সভাপতি জয়নুল আবেদীন

সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের পূর্বঘোষিত আদালত বর্জন কর্মসূচিকে বাধা দিয়েছে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। এ জন্য দেশব্যাপী ১ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতিগুলোতে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো।’

এর আগে বুধবার সকাল ৯টার দিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বাড়িয়ে ১০ বছর করে হাইকোর্ট। এর প্রতিবাদে আদালত বর্জন কর্মসূচিতে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা।

বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা আদালত বর্জন করেছেন। তারা মামলার শুনানি করতে যাননি।

অপরদিকে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা এই বর্জনের প্রতিবাদ করছেন। তারা চেষ্টা করছেন আইনজীবী সমিতির দ্বিতীয় তলার তালা ভাঙার। এ সময় এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

সকালে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে আদালতে যেতে আইনজীবী ভবনের বিভিন্ন কেচি গেটে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

৩০ অক্টোবর, মঙ্গলবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার আপিল গ্রহণ না করে খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। অপরদিকে দুদকের আপিল গ্রহণ করে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে।

এ ছাড়া ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে কাজী কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের আপিলও খারিজ করেছে আদালত। 

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও মোমতাজ উদ্দিন ফকির। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। তবে এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করা কোনো আইনজীবীকে আদালত কক্ষে দেখা যায়নি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার বকশীবাজারে প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয় আদালত।

প্রিয় সংবাদ/ইতি/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...