বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ফাইল ছবি

সংলাপ: এটা ঘরের লোকদের ঘরে ‘ফেরানোর চেষ্টা’

‘বেগম জিয়া ও তারেক জিয়াসহ অন্য যারা আছেন তারা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বন্দী আছেন। যাদের বিরুদ্ধে মামলা থাকে তারা তো রাজনবন্দী নয়।’

আবু আজাদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০২ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০২
প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০২ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০২


বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ফাইল ছবি

(ইউএনবি) সংলাপে যারা যাচ্ছেন অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতা, এটা ঘরের লোকদের ঘরে ফেরানোর চেষ্টা কী না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।’

১ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তোফায়েল আহমেদ এ মন্তব্য করেন।

সংবিধান অনুযায়ী সংলাপের সিদ্ধান্ত হবে বলে মন্তব্য করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন চিঠি দেওয়ার পর প্রধাননমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে সংলাপের সিদ্ধান্ত নেন। তারা তাদের চিঠিতে সাত দফা ও ১১ লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছে। আমরা জানিয়েছি, সংবিধান অনুযায়ী আলোচনা হবে। সুতরাং সব বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে।’

সকল রাজনৈতিক বিবেচনায় বন্দিদের মুক্তির দাবি প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘৭৫ সালের পর আমরা অনেকেই বন্দী ছিলাম, আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। বঙ্গবন্ধুও বন্দী ছিলেন, যেটা মানুষ গণঅভ্যুথান করে তাকে মুক্ত করেছিল। কিন্তু বেগম জিয়া ও তারেক জিয়াসহ অন্য যারা আছেন তারা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বন্দী আছেন। যাদের বিরুদ্ধে মামলা থাকে তারা তো রাজনবন্দী নয়।’

সংলাপ যেন আসন ভাগাভাগির না হয় মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘কমিউনিস্ট পার্টি যখন আমাদের সঙ্গে ছিল না, একসঙ্গে আমরা তিন জোট মিলে রূপরেখা করেছিলাম। তখন বিএনপির সঙ্গে আমাদের আসন ভাগাভাগির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তখন দুই নেত্রী ১৫০টি করে সিটে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু এখন সেই দিন নেই।’

বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ সুনির্দিষ্ট। একটি অবাধ, অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করা আমাদের সকলের লক্ষ্য। এই কাজটি করে নির্বাচন কমিশন, সরকার নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করে। সুতরাং আমাদের লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট। আলোচনা যাই হোক আমরা সবাই নির্বাচনে অংশ নেব, এই সরকারের অধীনে এবং নির্বাচন কমিশনের তত্বাবধানে। এখানে সমস্যার কিছু দেখি না।’

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...