নির্বাচন কমিশনের ৩৯তম সভায় সিদ্ধান্ত হয়, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ৮ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে। ফাইল ছবি

তফসিল পেছানোর দাবিতে ইসিতে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করার আহবান জানিয়েছিল ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

প্রদীপ দাস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর ২০১৮, ১৪:২৯
আপডেট: ০৫ নভেম্বর ২০১৮, ১৪:২৯


নির্বাচন কমিশনের ৩৯তম সভায় সিদ্ধান্ত হয়, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ৮ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন পেছানোর দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

৫ নভেম্বর, সোমবার বিকেল ৩টায় আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল ইসির সঙ্গে সাক্ষাত করতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

ইসির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এসএম আসাদুজ্জামান বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, মাহমুদুর রহমান মান্না, সুব্রত চৌধুরী, আব্দুল মালেক রতন ও বরকত উল্লাহ বুলু।

এর আগে ৩ নভেম্বর, শনিবার ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিকের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। এ সময় সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করার আবেদন জানান তারা।

এরই মধ্যে ৪ নভেম্বর, রবিবার নির্বাচন কমিশনের ৩৯তম সভায় সিদ্ধান্ত হয়, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ৮ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে।

সংলাপ শেষ না হতেই হঠাৎ নির্বাচনের তফসিলের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিক প্রিয়.কমকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার জন্য তারিখ ঘোষণা করেছে। আমরা তাদেরকে বলতে চাই, এখনো আলাপ-আলোচনা চলতেছে। আলোচনায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত না করা।’

পথিক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যে তাড়াহুড়া লাগিয়ে দিছে, এই তাড়াহুড়ার তো দরকার নাই। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি তো তারাও দেখছে, না কি? এই বিবেচনা করার জন্য আমরা তো তাদেরকে চিঠি দিয়েই জানিয়েছি। তারপরও তারা ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার কথা বলেছে।‘

তফসিল ঘোষণা হয়ে গেলে আলাপ-আলোচনার সুযোগ কম থাকে বলেও মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রিয়.কমকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের উচিত সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতায় আসার সুযোগ দেওয়া।’

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের বরং রাজনৈতিক দলগুলোকে চাপ দেওয়া উচিত, তারা যেন সমঝোতায় আসে। নির্বাচন কমিশনের বাধা দেওয়া উচিত না। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সুষ্ঠু নির্বাচন করা। সমঝোতা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সহজ হবে তাদের জন্য।’

তবে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম প্রিয়.কমকে বলেন, ‘আমাদের দেশে ৩৯টি দল আছে। তারা যদি সংলাপের কথা বলে আমাদেরকে একটা করে চিঠি দেয়, প্রধানমন্ত্রী যদি সম্মতি দেন, তাহলে চিন্তা করতে পারছেন, সংলাপে কত দিন লাগবে? সংবিধান আমাদের এভাবে অনন্তকালের জন্য সময় দিয়েছে?’

প্রিয় সংবাদ/আজাদ/রিমন

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট

loading ...