সমুদ্রপাড়ে খেলায় মগ্ন মিলাচি (বামে), উদ্ধারের পর মায়ের কোলে মিলাচি। ছবি: সংগৃহীত

সমুদ্রে ভাসমান পুতুল ভেবে উদ্ধার মানবশিশু

পানিতে শিশু ডুবে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। এটি সবার জন্য বেদনার। তাই প্রতিটি মা-বাবার এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

আজাদ চৌধুরী
জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ২০:০৬ আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ২০:০৬
প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ২০:০৬ আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ২০:০৬


সমুদ্রপাড়ে খেলায় মগ্ন মিলাচি (বামে), উদ্ধারের পর মায়ের কোলে মিলাচি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র থেকে একটি শিশুকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছেন এক মৎস্যজীবী। প্লেন্টি সাগরের নর্থ আইল্যান্ডের কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর গাস হাট নামের এক জেলে সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য ঘর থেকে বের হন। তিনি যখন প্লেন্টি সাগরের নর্থ আইল্যান্ডের কাছে পৌঁছান, তখন তার হঠাৎ মনে হয় একটি পুতুল সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে। তিনি তখন পুতুলটি সমুদ্র থেকে তুলে আনার জন্য এগিয়ে যান। কিন্তু তিনি যখন সেটি তুলে আনতে যান, তখনই ঘটে অন্য রকম বিষয়।

এ সম্পর্কে হাট বলেন, ‘আমি এগিয়ে ছেলেটির হাতটা ধরি, তখনো ভেবেছিলাম ওটা পুতুলই। মুখটা পুরো পোর্সেলিনের মতো লাগছিল। ছোট ছোট চুল, তখনই ও একটা হাঁচি দেয়, আর আমি ভাবি, সেকি! এটা একটা বাচ্চা।’

‘শিশুটি পানি তড়িতের সঙ্গে ভেসে যাচ্ছি‌ল। আর এক মিনিট দেরি হলেই ওকে বাঁচাতে পারতাম না। আসলে ওর এখন যাওয়ার সময় হয়নি। তাই ও রক্ষা পেল। ও খুব ভাগ্যবান।’

পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিশুটির বয়স ১৮ মাস। নাম মালাচি রিভ। সে মা-বাবা তাঁবুর চেইন খুলে বিচসাইড ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সমুদ্রে চলে গিয়েছিল।

মালাচিকে উদ্ধারের পর তার মা-বাবাকে খবর দেওয়া হলে তারা ছুটে আসেন। মা জেসিকা হোয়াইট এসে দেখেন ঠান্ডায় তার ছেলের শরীর নীলচে হয়ে গেছে। তাকে খুবই ছোট দেখাচ্ছে। এরপর ওষুধপত্র দিয়ে তাকে সুস্থ করা হয়।

মালাচির মা-বাবা জানান, আগের দিনই তাদের ছেলে সমুদ্র দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই পরের দিন সকালে উঠেই সেখানে যেতে চেয়েছিল সে।

এ সম্পর্কে নিউজিল্যান্ডের ওয়াটার সেফটি চিফ এক্সিকিউটিভ জন্টি মিলস এএফপিকে বলেন, ‘মিলাচির ঘটনাটি যেকোনো সময় দুর্ভাগ্যজনক হতে পারত। মিলাচির বেঁচে যাওয়াটা মিরাকুলাস। গত বছরই কিছু শিশু ডুবে গিয়েছিল। একটা বাচ্চার ডুবে যেতে এক মিনিটও লাগে না। তাই বড়দের প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।’

প্রিয় জটিল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...