আগামী রবিবারের মধ্যে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের শারীরিক অবস্থার প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

ব্যারিস্টার মইনুলের শারীরিক অবস্থা জানতে চায় হাইকোর্ট

মইনুল হোসেনের কিডনিসহ নানা শারীরিক জটিলতা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি ওপেন হার্ট সার্জারি করেছেন।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৩:১২ আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৩:১২


আগামী রবিবারের মধ্যে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের শারীরিক অবস্থার প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) মানহানির মামলায় কারাগারে থাকা সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্যের অবস্থা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

৮ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে মইনুলের স্ত্রী সাজু হোসেনের এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে মইনুলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন মো. মাসুদ রানা

আদেশের বিষয়টি প্রিয়.কমকে জানান মইনুল হোসেনের আইনজীবী প্যানেলের সদস্য মো. মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘মইনুল হোসেনের বয়স ৭৮ বছর। তিনি হার্টের রোগী। এর আগে তিনি ওপেন হার্ট সার্জারি করেছেন। মইনুল হোসেনের কিডনিসহ নানাবিধ সমস্যা রয়েছে।’

মাসুদ রানা জানান, মইনুল হোসেনের বর্তমান শারীরিক অবস্থা কী, তা পরীক্ষা করে আগামী রবিবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। রংপুর কারা কর্তৃপক্ষ ও রংপুর মেডিকেল কর্তৃপক্ষকে (সিভিল সার্জন) এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

রংপুর থেকে মইনুল হোসেনকে দেশের যেকোনো জেলায় স্থানান্তর করার সময় যথাযথ নিরাপত্তা কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরেকটি আবেদন করেছেন মইনুলের স্ত্রী সাজু হোসেন। আগামী ১১ নভেম্বর রবিবার এ আবেদনের উপর শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনোরেল। এরপর আদেশ দেওয়া হবে। 

এর আগে বিশেষায়িত হাসপাতালে ব্যারিস্টার মইনুলের চিকিৎসা ও রংপুর আদালতে ‘লাঞ্ছিত’ হওয়ার ঘটনা সরকারের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। মইনুলের স্ত্রী সাজু হোসেন এ রিটটি করেন।

ওই রিটের ওপর বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শুনানি হয়েছে। ১১ নভেম্বর ফের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

গত ৩ নভেম্বর ব্যারিস্টার মইনুলকে রংপুর কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ২২ অক্টোবর ঢাকার উত্তরায় ঐক্যফ্রন্টের নেতা আ স ম রবের বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে রংপুরের বাসিন্দা মিলি মায়ার করা মানহানির মামলায় মইনুলকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির এক প্রশ্নের জবাবে মন্তব্যের জেরে মইনুলের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন মিলি মায়া। একই ঘটনায় বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে মইনুলের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিন নিয়েছেন।

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
বাহুব‌লে নয়, খালেদা জিয়া জন‌প্রিয়তায় ব‌লীয়ান: নুরুল কবির
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৯ নভেম্বর ২০১৮
কুষ্টিয়ায় গুলিতে ‘ডাকাত’ নিহত
কাঞ্চন কুমার ১৯ নভেম্বর ২০১৮
বড়দিনের উপহার বন্দুক!
আশরাফ ইসলাম ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সমাপনীর প্রথম দিনে অনুপস্থিত দেড় লাখ
প্রিয় ডেস্ক ১৮ নভেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট