গবেষকরা তৈরি করেছেন এই ‘বায়োনিক’ মাশরুম। ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে এই ব্যাঙের ছাতা!

গবেষণাগারে থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে মাশরুমটি।

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৯ নভেম্বর ২০১৮, ২৩:৫১ আপডেট: ০৯ নভেম্বর ২০১৮, ২৩:৫১


গবেষকরা তৈরি করেছেন এই ‘বায়োনিক’ মাশরুম। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বিবর্তনের ধারায় ২.৫ বিলিয়ন বছর ধরে সায়ানোব্যাকটেরিয়া আলো থেকে শক্তি তৈরির প্রক্রিয়াটি রপ্ত করেছে। তার এই শক্তি কব্জায় আনতে গবেষকরা মাশরুম ও সায়ানোব্যাকটেরিয়ার মাঝে এমন একটি সম্পর্ক তৈরি করেছেন যাতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।  

প্রকৃতিতে দেখা যায়, অনেক ব্যাকটেরিয়া একসাথে কলোনি তৈরি করে থাকে ও অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন, বায়োলুমিনেসেন্সের মতো কাজগুলো করতে পারে। অন্যদিকে মাশরুমরাও ছোট-বড় কলোনিতে থাকে, একে অপরের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখে ও খাদ্য বিনিময় করে। গবেষকেরা দেখতে চাইছিলেন, সায়ানোব্যাকটেরিয়া ও মাশরুম একসাথে কী আচরণ করে।

গবেষকরা সাধারণ বাটন মাশরুমের ওপরে ছাতার মতো অংশটিতে জিলাপির প্যাঁচের মতো করে সায়ানোব্যাকটেরিয়া বসিয়ে দেন থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের সাহায্যে।  অনুকুল পরিবেশে মাশরুম থেকে বাসস্থান, আর্দ্রতা ও পুষ্টি গ্রহণ করে সায়ানোব্যাকটেরিয়াটি। এর বিনিময়ে ব্যাকটেরিয়াটি মাশরুমের জন্য শক্তি উৎপাদন করে।  সায়ানোব্যাকটেরিয়ার উৎপন্ন শক্তি বিদ্যুৎ শক্তি হিসেবে সংগ্রহ করা হয় ইলেকট্রনিক ইংকের সাহায্যে।  দেখা যায়, আলো পড়লে এই মাশরুম ও ব্যাকটেরিয়ার সমন্বয় থেকে তৈরি হয় ৬৫ ন্যানো অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ।

এই পরিমাণ বিদ্যুৎ দিয়ে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস চলবে না বটে। কিন্তু গবেষকদের মতে, বেশকিছু মাশরুম একত্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে এলইডি লাইট জ্বালানো যাবে।

গবেষকদের মতে, দূষণমুক্ত উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এই মাশরুম ও ব্যাকটেরিয়ার সমন্বয়।  তারা আরও বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন ধরণের মাশরুম ও ব্যাকটেরিয়ার সমন্বয় করে দেখছেন তারা।

সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

প্রিয় লাইফ/ আর বি 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে নিয়োগ
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে নিয়োগ
বাংলা ট্রিবিউন - ২ দিন, ১ ঘণ্টা আগে