প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা। ছবি: সংগৃহীত

গুলশান হামলার বিচার ‘দ্রুত শুরু করা’য় ইতালির রাষ্ট্রদূতের সন্তোষ

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ভয়াবহ ঘটনার বিচার প্রক্রিয়ায় আমাদের দেশেও সাধারণত দীর্ঘ বিলম্ব হয়।’

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:০৭ আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:১০
প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:০৭ আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:১০


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা। ছবি: সংগৃহীত

(বাসস) রাজধানীর গুলশানে স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে ২০১৬ সালের হামলায় জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়া ‘দ্রুত শুরু করা’য় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা।

২৭ নভেম্বর, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে ইতালির রাষ্ট্রদূত এই সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পালমা দেশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর কর্মকর্তাদের কর্তব্যনিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন। 

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ভয়াবহ ঘটনার বিচার প্রক্রিয়ায় আমাদের দেশেও সাধারণত দীর্ঘ বিলম্ব হয়। যদিও বাংলাদেশ এই ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে খুব ভালো কার্য সম্পাদন করেছে।’

হলি অর্টিজান বেকারির সেই সন্ত্রাসী হামলায় ২২ জন নিহত হয়। তাদের মধ্যে ৯ জন ছিলেন ইতালির নাগরিক।

সাক্ষাৎকালে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নিজের লাগাতার পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হলি অর্টিজান রেকারির ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্ব আরোপ করেন বলে জানান প্রেস সচিব ইহসানুল করিম

ইতালির রাষ্ট্রদূত ওই সময় বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদ, বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও মোংলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো, খান জাহান আলীর মাজার এবং লালন শাহর মাজার ও সেখানে বাউল মেলা প্রত্যক্ষ করা নিয়ে উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি ফকির লালন শাহর অনেক গানও নিজের মাতৃভাষায় অনুবাদ করেছেন।

পালমা কাজের জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের ইতালিতে বসবাসের প্রশংসা করে বলেন, তারা ইতালীয় সমাজ ও অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। এমনকি তারা এখন কৃষিক্ষেত্রেও অবদান রাখছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হলো গ্রামীণ দরিদ্র্য জনগণের জীবনমানের পরিবর্তন ও তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধন করা।

রাষ্ট্রদূত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের গ্রামভিত্তিক উন্নয়নের রূপকল্পের প্রশংসা করে বলেন, ইতালি সরকারও গ্রামে জনগণের বসবাসের জন্য তাদের প্রণোদনা দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান সে সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রিয় সংবাদ/হিরা/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...