বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিভাগের অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: প্রিয়.কম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রিপল-ই বিভাগের অফিসে শিক্ষার্থীদের তালা

শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই বিভাগ এক না করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ক্লাসে ফিরবেন না তারা।

আকরাম হোসাইন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৫৭ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৫৭
প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৫৭ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৫৭


বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিভাগের অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফলিত পদার্থবিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (এপিইই) বিভাগকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সঙ্গে একীভূত না করার দাবিতে বিভাগের অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ট্রিপল-ই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

২৮ নভেম্বর, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিভাগের অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন শিক্ষর্থীরা।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনের সামনে অবস্থান নেন ট্রিপল-ই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দুপুরে শিক্ষার্থীরা বিভাগের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন এবং অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই বিভাগ এক না করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ক্লাসে ফিরবেন না তারা। যদি দুই বিভাগ এক হয় তাহলে ট্রিপল-ই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। দুই বিভাগের সিলেবাসেও ভিন্নতা রয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়কে এসব বিষয় বিবেচনা করে দুই বিভাগ যেন এক না হয় সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান ট্রিপল-ই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

তালাবদ্ধ ট্রিপল-ই বিভাগের অফিস। ছবি: প্রিয়.কম

সেশন জটের বিষয়ে জানতে চাইলে এপিইই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আরিফুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘আগামীকাল অনুষদ কমিটির সভা আছে। এরপর ৫ ডিসেম্বর শিক্ষা পরিষদের সভা। সেদিনই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। এর আগে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’

ইইই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু জাফর মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত দাবি জানিয়েছি। এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। তবে সেশন জট কারোরই কাম্য নয়। প্রশাসন চাইলে অনেক কিছু করতে পারে। আমরা সবসময়ই আমাদের স্বকীয়তা চাইব।’

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ‘সাক্ষাতে ছাড়া আমি কিছু বলতে পারব না।’

গত ১১ নভেম্বর থেকে ইইই ও এপিইই বিভাগ দুটিকে একীভূতকরণের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন এপিইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে বিভাগের শিক্ষকরা তাদের আশ্বস্ত করলে তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন। এর প্রেক্ষিতে ২০ নভেম্বর ট্রিপল-ই বিভাগের শিক্ষার্থীরা দুই বিভাগকে এক না করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।

প্রিয় সংবাদ/নোমান/আজাদ চৌধুরী