বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবে না: ফখরুল

প্রধানমন্ত্রী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘নির্বাচনে তারা ভয় পায় বলেই নীলনকশা বাস্তবায়নে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:১৫
আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:১৫


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

৩০ নভেম্বর, শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমন মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথার আমি উত্তর দিতে চাই না, কারণ উনার বেশির ভাগ কথাই অবান্তর কথা।’

এ সময় মির্জা ফখরুল ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন দিন না; দেখি কে কত আসন পায়। আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবে না।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে কি না তা নির্ভর করবে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ওপর। আমরা বিগত সাত বছর সংবিধান সংশোধনসহ নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা আলোচনা করেছি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কিন্তু তারা (সরকার) কিছুই করেনি। সরকার কোনো কর্ণপাত না করে একতরফা নির্বাচন করতে ও তাদের নীলনকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। আমরা বারবার অভিযোগ করার পরও আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেই চলেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কোনো গ্রেফতার হবে না—প্রধানমন্ত্রী এমন প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন কিন্তু নীলনকশা বাস্তবায়নে গ্রেফতার করেই চলেছেন। এভাবে নির্বাচনের মাঠে খারাপ পরিবেশ তৈরি হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।’

‘৮ তারিখে তফসিল ঘোষণার পর নারায়ণগঞ্জে ২৫ জন, ঢাকা মহানগরে ৩৯৪ জনসহ মানিকগঞ্জ ও বগুড়ায় ৫৩৭ জন; ২৬ তারিখে ৩ জন—এ রকম অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অবস্থায় কতটুকু নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব? নির্বাচন কমিশনকে এখনো বলছি, এসব বন্ধ করতে হবে, তা না হলে নির্বাচনের পরিবেশ কী হবে তা আমরা বলতে পারছি না।’

‘বিচার বিভাগকে তারা পুরোপুরিভাবে করায়ত্ত করে ফেলেছে। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সম্ভব নয়। পুরো জাতিকে তারা সংঘাতে পরিণত করে ফেলেছে। তাই কোনো ধরনের সংঘাত হলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘নির্বাচনে তারা ভয় পায় বলেই নীলনকশা বাস্তবায়নে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

প্রিয় সংবাদ/হিরা/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
‘আমরা আজ আতঙ্কিত এ দেশে গণতন্ত্র টিকে থাকবে কি না’
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮
বিএনপির মুক্তিযুদ্ধের মুখোশ খসে পড়েছে: কাদের
জানিবুল হক হিরা ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮
ভোটের স্বাভাবিক পরিবেশ পাচ্ছি না: ফখরুল
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১২ ডিসেম্বর ২০১৮
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
বিএনপির মুক্তিযুদ্ধের মুখোশ খসে পড়েছে: কাদের
জানিবুল হক হিরা ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮
ঢাকার পথে শেখ হাসিনা
প্রিয় ডেস্ক ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধাঞ্জলি
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১২ ডিসেম্বর ২০১৮
বিএনপিতে এখন গণভাটা চলছে: ওবায়দুল কাদের
বিএনপিতে এখন গণভাটা চলছে: ওবায়দুল কাদের
বাংলা ট্রিবিউন - ৪ দিন, ১৩ ঘণ্টা আগে