আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সবার অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায় আওয়ামী লীগ: কাদের

‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা পরিবেশটা ভালো দেখে বলছে, তারা এখানে আর পর্যবেক্ষক পাঠানোর কোনো প্রয়োজন বোধ করছে না।’

আবু আজাদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৮, ২২:৫৯
আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০১৮, ২২:৫৯


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

(বাসস) আওয়ামী লীগ সবার অংশগ্রহণে বিশ্বাসযোগ্য, গ্রহণযোগ্য, অবাধ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

৩০ নভেম্বর, শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিএনপি গত নির্বাচনের মতো ভুয়া অভিযোগ এনে আগামী জাতীয় নির্বাচন বর্জন করুক তা আওয়ামী লীগ চায় না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা চাই আগামী জাতীয় নির্বাচন সকলের অংশগ্রহণে বিশ্বাসযোগ্য, গ্রহণযোগ্য, অবাধ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হোক এবং সেখানে বিএনপি অংশগ্রহণ করুক। গতবারের মতো ভুয়া অভিযোগ এনে তারা নির্বাচন বয়কট করুক, এটা চাই না।’

আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে ৩০ আসনও পাবে না, বিএনপির নেতাদের এমন দাবির জবাবে কাদের বলেন, ‘এই সংখ্যাতত্ত্বটা বিএনপিই বলে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে বলেছিল তারা আমাদেরকে ৩০টি আসন দেবে, এ রকম ঘোষণা বারবার দিয়েছে। কিন্তু নির্বাচনে দেখা গেল আমরা যেখানে দুই তৃতীয়াংশ মেজরিটি পেলাম সেখানে বিএনপি মাত্র ২৯টি আসনে জয়লাভ করতে পেরেছে। এ রকম কথা বিএনপিই বলে।’

কাদের বলেন, ‘কেউ বলে ১০০ সিট, কেউ বলে ৩০ সিট। কেউ বলে ১০০ বছরেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বেগম জিয়া কী ঔদ্বত্যপূর্ণ বক্তব্য দেননি? দম্ভ আর অহংকারের যে করুণ পরিণতি হয়, বিএনপি আজ সেই দেউলিয়াপনায় এসে ঠেকেছে।’

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা পরিবেশটা ভালো দেখে বলছে, তারা এখানে আর পর্যবেক্ষক পাঠানোর কোনো প্রয়োজন বোধ করছে না। বিএনপিই শুধু আজকে নির্বাচনের পরিবেশ দেখতে পাচ্ছে না। অথচ পরিবেশটা নষ্ট করার সূচনা তাদের হাত দিয়েই শুরু হয়েছে।’

জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, ‘আমাদের নির্বাচন পরিচালনার ১৫টি উপ-কমিটি আছে। প্রত্যেকটি উপ-কমিটি কাজ করছে। তাদের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের সবাই এখানে এসেছেন। আমরা মূলতঃ আমাদের কাজের কার কী অগ্রগতি হলো এবং কো-অর্ডিনেশনটা যাতে ভালোভাবে হয় সেটা নিয়ে আলোচনা করার পর আমাদের সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করেছি।’

এর আগে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমামের সভাপতিত্বে উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের বৈঠক হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দিপু মণি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহম্মেদ এবং সাবের হোসেন চৌধুরী এমপিসহ অন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
বিএনপির ইশতেহার নিয়ে জনগণ হতাশ: নানক
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮
আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার মঙ্গলবার
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮
বিএনপির মুক্তিযুদ্ধের মুখোশ খসে পড়েছে: কাদের
জানিবুল হক হিরা ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮
আ. লীগের ওপরই হামলা হচ্ছে বেশি: এইচ টি ইমাম
আ. লীগের ওপরই হামলা হচ্ছে বেশি: এইচ টি ইমাম
বিডি নিউজ ২৪ - ৬ দিন, ১৪ ঘণ্টা আগে

loading ...