নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। ছবি: প্রিয়.কম

জালিয়াতি হলেও প্রকৃত ভোটার ভোট দিতে পারবেন: ইসি

‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইনে ভোট দেওয়া হয়ে গেলেও ভোট দেওয়ার বিধান আছে।’

প্রদীপ দাস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৪:২৬
আপডেট: ০১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৪:২৬


নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজনের ভোট আরেকজন জালিয়াতি করে দিলেও প্রকৃত ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম

১ ডিসেম্বর, শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণে কমিশনার এ কথা বলেন।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের দিন পত্রিকা, টেলিভিশনে আমরা দেখতে পাই একজন ভোটার এসে বলতেছেন, ‘‘আমার ভোটটা দেওয়া হয়েছে গেছে’’। যদি নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা ঠিকমতো তার কাজটা করেন, তাহলে একজনের ভোট আরেকজনের দেওয়ার কথা নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইনে ভোট দেওয়া হয়ে গেলেও ভোট দেওয়ার বিধান আছে।’

‘যদি আপনি স্যাটিসফায়েড (সন্তুষ্ট) হন, সে সত্যিকার অর্থে ভোটার, তার ভোটটা অন্য কেউ দিয়ে গেছে, জাস্ট অ্যালাউ হিম উইদাউট অ্যানি কুয়েশ্চেন (প্রশ্ন ছাড়া প্রকৃত ভোটারকে ভোট দিতে দেবেন)। আপনারা যদি আইনটাকে ফলো (অনুসরণ) করেন, তাহলে আর নির্বাচনকে কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারবে না। প্রত্যেকটা পত্রিকা খুললেই একটাই কথা, সবার ভিতরেই শঙ্কা ভোট দিতে পারবেন কি না; ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন কি না। আশঙ্কার কথা যদি বারবার বলা হয়, ভোট দিতে পারবেন কি না, এই জিনিসটুকু আপনাদের ওপর নির্ভর করে।’

কমিশনার বলেন, ‘আসলে দেখবেন, নির্বাচন মানেই কিন্তু একদিন। শিডিউলে ৪৬ থেকে ৪৫ দিন বা যতদিনই থাকুক না কেন, নির্বাচন মানে একদিন–মানে নির্বাচনের (ভোটের) দিন। এই নির্বাচনের দিন কী হলো-এটা যদি ঠিক না হয়, এটা যদি আইনানুগ না হয়, তাহলে আমরা সবাই প্রশ্নবিদ্ধ হব। কারণ ওই নির্বাচনের দিনই ভোটার আপনাদের সঙ্গে আমার নির্বাচনি কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত হবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা কাউকে ব্যালট পেপার দিয়ে দিলেন, উনি গোপন কক্ষে না গিয়ে প্রকাশ্যে ভোট দিলেন। ‘‘আমার ভোট আমি প্রকাশ্যে দিয়েছি, অসুবিধা কী?’’ এ কথা অনেকেই বলতে পারেন। যেহেতু আইনে এটা পারমিট করে না। আপনারাও অ্যালাউ করবেন না।’

‘আপনাদের প্রশিক্ষণার্থীকেও (প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার) বলবেন, ‘‘ডোন্ট অ্যালাউ ইট’’। কারণ এ ধরনের কর্মকাণ্ড বেআইনি এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’  

প্রিয় সংবাদ/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
রুয়েটের নতুন ভিসি ড. মো. রফিকুল ইসলাম শেখ
রুয়েটের নতুন ভিসি ড. মো. রফিকুল ইসলাম শেখ
বাংলা ট্রিবিউন - ৪ মাস, ২ সপ্তাহ আগে