প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতলেন আডা হেগেরবার্গ। ছবি : সংগৃহীত

প্রথম নারী ব্যালন ডি’অরেই যৌন হয়রানি!

পুরুষের ফুটবলে ১৯৫৬ সাল থেকেই চালু ব্যালন ডি’অর পুরস্কার। কিন্তু নারী ফুটবলকে এগিয়ে নিতে এবারই প্রথম চালু হয় এই পুরস্কার।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:০২ আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:০২
প্রকাশিত: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:০২ আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:০২


প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতলেন আডা হেগেরবার্গ। ছবি : সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) সোমবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে আলো ঝলমলে এক অনুষ্ঠানে ব্যালন ডি’অরের অভিষেক ট্রফিটা ছুয়ে ফেলেন ফ্রান্স ক্লাব লিঁওর নারী ফুটবলার আডা হেগেরবার্গ। গত মৌসুমে লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন তিনি। অসাধারণ সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই প্রথম নারি ব্যালন ডি’অর জিতে চমকে দেন গোটা ফুটবল দুনিয়াকে। 

কিন্তু তার ক্যারিয়ার ও ফুটবলের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে অস্বস্তিতে ফেলে দেন ব্যালন ডি’অর ২০১৮ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ডিজে মার্টিন সলভেইগ। ট্রফি জয়ের পর মঞ্চে আসা হেগেরবার্গকে নাচতে বলেন ডিজে! শুধু তাই নয়, সে নাচের ব্যাপারে ছিল বিশেষ ইঙ্গিত। অর্থাৎ হেগেরবার্গকে ‘টুয়ের্ক’ বা কোমর দুলিয়ে যৌন উত্তেজক নাচ দেখাতে বলেন তিনি।

নারী এই ফুটবলার তাৎক্ষণিক সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে মঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছিলেন। রাগে-ক্ষোভে একটু নাচেনও তিনি। পরে অবশ্য সলভেইগ ক্ষমা চেয়েছেন হেগেরবার্গের কাছে। নারী এই ফুটবলার পরবর্তী সময়ে নিজের অভিমত প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘ব্যাপারটা যৌন হয়রানি হিসেবে দেখছি না। ব্যালন ডি’অরের আনন্দটা উপভোগ করতে চাই।’ 

তবে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তাকে ‘টুয়ের্ক’ করতে বলা ফুটবলের একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা বলে উল্লেখ করেন এক ফুটবল ব্লগার। ফুটবলের এক আরজে অ্যালেন লিখেছেন, ‘সলভেইগের সৌভাগ্য যে আডা তাকে লাথি মেরে গোলপোস্টে পাঠায়নি।’

গ্রেট ব্রিটেনের টেনিস তারকা অ্যান্ডি মারে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনে এখনো যৌন হয়রানি আছে। এমবাপ্পে ও মদ্রিচকে কি প্রশ্ন করা হয়েছে ভাবুন? ওটা স্রেফ মজা...না? নাহ, ব্যাপারটা একটু অন্য।’

পুরুষের ফুটবলে ১৯৫৬ সাল থেকেই চালু আছে এই ব্যালন ডি’অর পুরস্কার। কিন্তু নারী ফুটবলকে এগিয়ে নিতে এবারই প্রথম চালু হয় ব্যালন ডি’অর।

প্রিয় খেলা/রুহুল