প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি সামাজিক ব্যাধিমুক্ত দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার যেটা বর্তমানে আমরা ২১ ভাগে নামিয়ে এনেছি, তাকে আরও ৪-৫ ভাগ কমিয়ে আনব।’

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৭:৫৩
আপডেট: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:১১


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

(বাসস) সমাজকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসন ক্যাডারের নবীন কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির হাত থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে হবে। যে যখন যেখানে দায়িত্ব পালন করবেন, এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।’

এগুলো একটি সমাজ ও পরিবারকে ধ্বংস করে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশ যথেষ্ট দক্ষতার সাথে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। কিন্তু এই অভিযান অব্যাহত রেখে দেশকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬ ডিসেম্বর, বুধবার সকালে রাজধানীর শাহবাগস্থ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১০৭, ১০৮ ও ১০৯তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এমন জায়গায় দেশকে রেখে যাচ্ছি, যেন বাংলাদেশকে আর পেছন ফিরে তাকাতে না হয়। সামনের দিকে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, সে অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।’

কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করাই তার সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘এই যে দিকনির্দেশনাগুলো দিয়ে গেলাম, সেগুলো অন্তত যদি অনুসরণ করা হয়, তাহলে যারা দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের জন্য যেমন সুযোগ সৃষ্টি হবে, তেমনি দেশের মানুষের আরও উন্নত জীবন নিশ্চিত হবে।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ‘এটা আমরা এজন্যই করেছি যেন দেশের সেবাটা আপনারা ভালোভাবে করতে পারেন।’

তিনি এই বেতন-ভাতা বৃদ্ধিকে পৃথিবীতে নজীরবিহীন উল্লেখ করে বলেন, তার দেশের অর্থনীতিটা একটা শক্ত ভীতের ওপর দাঁড়িয়েছে বলেই এগুলো করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি হলুদ সাংবাদিকতার সমালোচনা করে বলেন, ‘পত্রিকায় এটা ওটা লেখা হয়, আর আমাদের অনেকেই সেটা নিয়ে ঘাবরিয়ে যায়। আমি অন্তত এটুকু বলতে পারি রাষ্ট্র পরিচলনায় পত্রিকার লেখা পড়ে গাইড লাইন গ্রহণ করি না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি গ্রহণ করি আমাদের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা এবং নিজস্ব পরিকল্পনা। কে কী বলল, সেটা শুনে রিঅ্যাক্ট করার চিন্তাতেই আমি বিশ্বাস করি না।’
তবে পত্রিকা থেকে তিনি খবর এবং তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন বলেও ইঙ্গিত দেন।

কারণ হিসেবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশটা আমার, আমার দেশকে আমি চিনি, আমি জানি দেশের জন্য কোনটা ভালো হবে। আর যেহেতু রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছি, তখন অবশ্যই জানব কোথায় কী সমস্যা আছে, কোথায় কী করতে হবে।’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক এবং জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমেদ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন। ১০৭, ১০৮ ও ১০৯তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের রেক্টর পদক বিজয়ী শ. ম. আজহারুল ইসলাম সনেট, শরিফ আসিফ রহমান এবং মো. মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী কোর্স সম্পন্নকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ ছাড়াও তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং তিনটি ব্যাচের স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

প্রধানমন্ত্রী পরে সিভিল প্রশাসনের নবীন কর্মকর্তাদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিসিএস প্রশিক্ষণ একাডেমির নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই বছর বা তিন বছর মেয়াদী দারিদ্র্য বিমোচন পরিকল্পনা- যেগুলো আগের সরকার করে গেছে, সেভাবে একটা দেশ কখনো উন্নত হতে পারে না। সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা যেমন নিতে হবে এবং আশু করণীয় কী, সেই পরিকল্পনাও গ্রহণ করে তার বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে এবং সেজন্য তার সরকার পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পাশাপাশি ১০ ও ২০ বছর মেয়াদী পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সেই অনুযায়ী ২০২১ সাল আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী নাগাদ বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার ঘোষণা দেই এবং ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত আমাদের গৃহীত প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও আমরা বাস্তবায়ন শুরু করেছি। পাশাপাশি জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার যেটা বর্তমানে আমরা ২১ ভাগে নামিয়ে এনেছি, তাকে আরও ৪-৫ ভাগ কমিয়ে আনব। তখন বাংলাদেশকে আমরা বলতে পারব দরিদ্রমুক্ত।’ এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রের হার ১৮ শতাংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দারিদ্র্যের হার আমেরিকা থেকে একভাগ হলেও কমিয়ে আনব।’ এত বড় দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে না গেলেও দেশকে একটি মর্যাদার আসনে নিয়ে যাওয়াই তার লক্ষ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি ২০৭১ সাল যখন আমরা স্বাধীনতার শতবার্ষিকী উদযাপন করব এবং সেই পর্যন্ত আমাদের পরিকল্পনা থেকে যাবে, যেন আগামী প্রজন্ম সেই শতবার্ষিকী ভালোভাবে উদযাপন করতে পারে।’

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিভিল প্রশাসনের নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘২০৪১ সাল পর্যন্ত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সৈনিক এখানেই প্রস্তুত। আমি সেটাইতেই আনন্দিত। আমরা হয়তো ততদিন বাঁচব না কিন্তু আপনারই তখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। এটা আপনাদেরই দায়িত্ব এবং সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা এসব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের মানুষকে ভালোবেসে সবাইকে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। সততাই শক্তি। আর দেশের মানুষের প্রতি কর্তব্য বোধ এবং দায়িত্ব বোধ নিয়েই কাজ করতে হবে। কারণ এ দেশটি আমাদের এবং লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এটা অর্জন করেছি। এ স্বাধীনতাকে আমরা ব্যর্থ হতে দিতে পারি না।’

তিনি বলেন, ‘আমার নতুন প্রজন্মের কর্মকর্তা যারা, যারা আমার ২০৪১-এর সৈনিক তাদের জীবনটা সুন্দর ও সফল হোক এবং তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাক, সেটাই আমরা চাই।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশের ডিজিটাইজেশনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ‘এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। যোগাযোগ খুবই সহজ হয়ে গেছে, জানা সহজ হয়েছে এবং কাজের সুযোগও অনেক বেড়ে গেছে। কাজেই আমি চাইব এই ধারাটাকে অব্যাহত রেখে আমাদের সকলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় নেদারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় গৃহীত তার সরকারের শতবর্ষ মেয়াদী ডেল্টা পরিকল্পনার উল্লেখ করে বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম যারা আসবে এবং যারা রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেবে, তারাই এগুলো বাস্তবায়ন করবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই কাজগুলো এমনভাবে করে যাচ্ছি যে, আমার ১৬ কোটি মানুষকে খাদ্য দিতে হবে, আবার ফসলের জমি রক্ষা করতে হবে, আবার শিল্পায়নও করতে হবে। সেজন্য দেশব্যাপী একশ অর্থনৈতিক অঞ্চল তার সরকার গড়ে তুলছে। যেখানে বিদেশি বিনিয়োগ হবে এবং মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি রপ্তানি সমৃদ্ধ হবে।’

সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে কোনো কাজ করতে গেলেই জটিলতা তার ওপর আবার মামলা। তারপরেও আমরা ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সচিব পদে ১৮০ জন, অতিরিক্ত সচিব পদে ১১৫০ জন, যুগ্ম সচিব পদে ২০২৫ জন এবং উপসচিব পদে ২৬৮৬ জনকে পদোন্নতি দিতে সক্ষম হয়েছি। এর পদোন্নতি বোধ হয় কোনোদিন কোনো সরকার একসঙ্গে দিতে পারেনি। কিন্তু আমরা সেটা দিতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘যারা নবীন কর্মচারী এবং কয়েকদিন পরেই কর্মস্থলে যোগদান করবেন, তাদেরকে বলব প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবেই আপনারা যোগদান করবেন। দেশের মানুষের সেবা করার জন্য।’

‘যে যেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকবেন, সেখানকার কোন কাজটা করলে মানুষের জীবন মান উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে, সেটা মাথায় রাখতে হবে এবং সেভাবেই পদক্ষেপ নিতে হবে’, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রশাসনের এক শ্রেণির কর্মকর্তার সমালোচনা করে বলেন, ‘দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। অথচ আমাদের দেশে দেখেছি, একটা ধারণা প্রচলিত রয়েছে-কোনো একটি প্রশিক্ষণ স্থলে কাউকে পদায়ন করা হলে তিনি মনে করেন তাকে ডাম্পিং স্থলে ফেলে দেওয়া হলো। আমি জানি না কেন এই মানসিকতা। অথচ সব থেকে যারা মেধাবী, তাদেরকেই এসব প্রশিক্ষণ স্থলে নিয়োগ দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ আমাদের আগামী দিনে কারিগরগুলো তারা তৈরি করবে, সেইভাবে উপযুক্ত হয়ে।’

সেই জন্যই প্রশিক্ষণ একাডেমি উন্নত করা এবং প্রশিক্ষণের আরও সুযোগ সৃষ্টির দিকে তার সরকার দৃষ্টি দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়েই আমাদের উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে যেন দেশটাকে আমরা সেইভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’

তৃণমূল থেকেই তার সরকার দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই প্রচেষ্টার ফলেই দেশে আয় বৈষম্য হ্রাস পেযেছে। এখন গ্রামের মানুষও অনেক উন্নত জীবন পাচ্ছে এবং সেটাকে আরও উন্নত এবং স্থায়ী রূপ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’

তিনি এ সময় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সকলের প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, ‘যদি এতটুকু ভালো কাজ কারো জন্য করে থাকি, তাহলে আমি এইটুকু চাই, আমাদের বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিধারাটা যেন অব্যাহত থাকে এবং দেশের মানুষ যেন ভালো থাকে, সুন্দর থাকে।’

প্রিয় সংবাদ/শান্ত

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যেতে চাই না: শেখ হাসিনা
জানিবুল হক হিরা ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি জনসভা ২১-২৪ ডিসেম্বর
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮
জাতীয় স্মৃ‌তি‌সৌ‌ধে রাষ্ট্রপ‌তি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮
আমি প্রার্থী না, প্রার্থী শেখ হাসিনা
আমি প্রার্থী না, প্রার্থী শেখ হাসিনা
https://www.prothomalo.com/ - ১ দিন, ১ ঘণ্টা আগে
চার জনসভা, ১০ ভিডিও কনফারেন্সে শেখ হাসিনা
চার জনসভা, ১০ ভিডিও কনফারেন্সে শেখ হাসিনা
https://www.prothomalo.com/ - ২ দিন, ১০ ঘণ্টা আগে
৫ ঘণ্টা ঘুমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৫ ঘণ্টা ঘুমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সময় টিভি - ৫ দিন, ১৬ ঘণ্টা আগে

loading ...