বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুল হকসহ দুজনের জামিন বহাল

সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামালকে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:২৭
আপডেট: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:২৭


বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) অর্থ পাচার মামলায় এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামালকে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

৬ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ এ রায় দেয়। তবে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, বিশেষ আইনের এ ধরনের অর্থ পাচার মামলায় জামিন আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে সতর্ক থেকে বিচারিক মনন প্রয়োগ করতে হবে।

যেহেতু বিষয়টির সঙ্গে অর্থ পাচারের মতো গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ জড়িত, এ ধরনের মামলায় জামিন আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলার এজাহার, বাদী-বিবাদী পক্ষের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিগুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করতে হবে ।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন খুরশিদ আলম খান। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসাদুর রউফ ও শেখ বাহারুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।

আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, এবি ব্যাংকের ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম. ওয়াহিদুল হক ও কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামালসহ আট জনকে আসামি করে মতিঝিল থানায় মুদ্রা পাচার আইনে এ মামলাটি দায়ের করেন।

ওই দিন বিকেলে মৎস্য ভবন এলাকা থেকে ওয়াহিদুল হক, আবু হেনা মোস্তফা কামালসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ওই দিনই দুজনকে জামিন দিয়ে একজনকে রিমান্ডে পাঠান আদালত।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগের নামে ১৬৫ কোটি টাকা এবি ব্যাংকের চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখা থেকে দুবাইয়ে পাচার করেন এবং পরে তা আত্মসাৎ করেন। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে অর্থ পাচারের ওই ঘটনা ঘটে। তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের পর দুই ঘণ্টার মাথায় দুই আসামিকে এভাবে জামিন দেওয়ায় তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় এ জামিনের বিষয়ে প্রকাশিত খবর আদালতের নজরে আনেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। পরে এ ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে ওই দুই আসামির জামিন বাতিলের আর্জি জানালে ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুল জারি করেন।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
খেলাপি ঋণে এগিয়ে থাকা ব্যাংক
খেলাপি ঋণে এগিয়ে থাকা ব্যাংক
বাংলা ট্রিবিউন - ২ দিন, ৯ ঘণ্টা আগে
সুবিধাবঞ্চিত ২ কোটি মানুষ এখন ব্যাংক হিসাবধারী
সুবিধাবঞ্চিত ২ কোটি মানুষ এখন ব্যাংক হিসাবধারী
বাংলা ট্রিবিউন - ২ দিন, ৯ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক নিয়ে সিপিডির মূল্যায়ন রাজনৈতিক
ব্যাংক নিয়ে সিপিডির মূল্যায়ন রাজনৈতিক
ইনকিলাব - ৫ দিন, ১৬ ঘণ্টা আগে

loading ...