বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা

কড়া সতর্কবার্তা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগে বিদ্রোহী প্রার্থী ৭৯

জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যথাযথভাবে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমস্যা সমাধান করা হবে। কেননা নির্বাচনে তাদের উপস্থিতি বিরোধী দলের জন্য লাভজনক হবে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:০২
আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:০২


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা

(ইউএনবি) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর। সংসদীয় আসনগুলোতে কোন দল থেকে কারা প্রার্থী হচ্ছেন—এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের আসনগুলো একরকম চূড়ান্তই বলা যায়। তবে অন্য আসনগুলোতে দুই দলই বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। দল থেকে আজীবন বহিষ্কারের কথা বলা হলেও আসন্ন সংসদ নির্বাচনে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী ৭৯ জন।

ক্ষমতাসীন দলের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, বিরোধী দলের প্রার্থীদের তুলনায় নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে তারা খুবই উদ্বিগ্ন। এ বিষয়ে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত জাহাঙ্গীর কবির নানকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল কাজ শুরু করেছে।

অন্য সদস্যরা হলেন—যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক এবং আরেক মনোনয়নবঞ্চিত আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা বিদ্রোহী প্রার্থীদের আজীবন বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বারবার একই ঘোষণা দিয়ে এসেছেন। তবুও হাই কমান্ডের নির্দেশ উপেক্ষা করে ৭৯ জন প্রার্থী বিভিন্ন সংসদীয় আসনে লড়ার জন্য স্বতন্ত্রভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচন করলে তা দলের পরাজয়ের কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১১তম সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ সংসদীয় আসনে ২৬৪টি মনোনয়ন জমা দেয় আওয়ামী লীগ। বহিষ্কারের বিষয়টি তোয়াক্কা না করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ৭৯ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ সদস্যের পরিবর্তে এবার আওয়ামী লীগের টিকিট পেয়েছেন ৪৭ জন নতুন মুখ। কিছু নেতা দলের মনোনীত প্রার্থীদের বিষয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের সম্পর্কে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি বড় দল, এখানে অনেক সমস্যা বিরাজমান। আলোচনার পর যদি বিদ্রোহীরা দ্বিমত পোষণ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের জন্য দলে কোনো জায়গা নেই এবং আওয়ামী লীগ থেকে তাদের আজীবন বহিষ্কার করা হবে।’

জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যথাযথভাবে বিদ্রোহী প্রার্থী সমস্যা সমাধান করা হবে। কেননা নির্বাচনে তাদের উপস্থিতি বিরোধী দলের জন্য লাভজনক হবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান জানান, তাদের আলোচনার প্রক্রিয়া পুরোদমে চলছে। যারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরাসরি দলের মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, তাদের সাথে যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
আমি প্রার্থী না, প্রার্থী শেখ হাসিনা
আমি প্রার্থী না, প্রার্থী শেখ হাসিনা
https://www.prothomalo.com/ - ১ দিন, ১ ঘণ্টা আগে

loading ...