গ্রেফতার ব্যক্তিরা প্রতারক চক্রের সদস্য বলে দাবি করেছে র‌্যাব। ছবি: প্রিয়.কম

‘প্রতারক চক্রের’ প্রধানসহ গ্রেফতার ৫

এই প্রতারক চক্রের দলনেতা মো. আসাদুজ্জামান আসাদ রাজধানীর উত্তরায় একাধিক অফিস খুলে প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন দিয়ে ইউরোপ, আমেরিকার বিভিন্ন দেশে গমনেচ্ছুদের প্রলুব্ধ করতেন।

জনি রায়হান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:৫৬
আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:৫৬


গ্রেফতার ব্যক্তিরা প্রতারক চক্রের সদস্য বলে দাবি করেছে র‌্যাব। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) রাজধানীর উত্তরখান, উত্তরা ও মিরপুর এলাকা হতে মানবপাচার, সরকারি দফতরে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণায় জড়িত একটি চক্রের প্রধানসহ ৫ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট, জাল ভিসা, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ও স্বাক্ষরিত সাদা দলিলও জব্দ করা হয়েছে।

৭ ডিসেম্বর, শুক্রবার র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘ তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর উত্তরখান, উত্তরা, বেড়িবাঁধ ও মিরপুর এলাকা থেকে এই চক্রের প্রধানসহ ৫ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন–দলনেতা মো. আসাদুজ্জামান আসাদ (৩৯), মো. ওসমান গাজী (৪৮), মো. সিরাজুল ইসলাম (৫২), মো. টিপু সুলতান (৫৫) ও মো. লিটন মাহমুদ (৩৫)। এ সময় ৩২টি পাসপোর্ট, ৭টি জাল ভিসা, বিমানের একটি জাল টিকেট, বিভিন্ন ব্যাংকের ৩৪ লাখ টাকার চেক, ১৫টি স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প, ১টি ল্যাপটপ, ২টি কম্পিউটার, ১টি কালার প্রিন্টার, ৫টি মোবাইলসহ চাকরিপ্রার্থীদের অনেক জীবন বৃত্তান্ত জব্দ করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই প্রতারক চক্রের দলনেতা মো. আসাদুজ্জামান আসাদ রাজধানীর উত্তরায় একাধিক অফিস খুলে প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন দিয়ে ইউরোপ, আমেরিকার বিভিন্ন দেশে গমনেচ্ছুদের প্রলুব্ধ করতেন। এ ছাড়াও নিজস্ব দালাল চক্রের মাধ্যমে বিদেশ গমনেচ্ছুদের তার অফিসে নিয়ে আসতেন। এরপর বিভিন্ন জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কখনো টুরিস্ট ভিসা, কখনো জাল ভিসা, জাল টিকেট প্রভৃতি দিয়ে একেকজনের কাছ থেকে পাঁচ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে আসাদ স্বীকার করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাল ভিসা প্রস্তুতের জন্য মো. ওসমান গাজী, টিপু ও লিটন তাকে সহায়তা করতেন। চাকরি প্রার্থীদের তার অফিসে আনার জন্য ওসমান, টিপু ও সিরাজসহ আরও কয়েকজন দালাল হিসেবে কাজ করতেন। চাকরি দেওয়া ও বিদেশে গমনের ক্ষেত্রে অগ্রিম হিসেবে তারা দুই থেকে পাঁচ লাখ টাকা, চাকরিপ্রার্থীদের ব্যাংক চেক ও স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প নিজের কাছে রেখে দিতেন। পরবর্তীতে সেই ব্যাংকের চেক এবং স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের ব্ল্যাক মেইল করতেন।

প্রিয় সংবাদ/হিরা/রিমন

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
'নির্বাচনী সহিংসতায় বিএনপি সরাসরি জড়িত'
'নির্বাচনী সহিংসতায় বিএনপি সরাসরি জড়িত'
সময় টিভি - ৫ দিন, ১০ ঘণ্টা আগে
বরগুনা জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার
বরগুনা জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার
বাংলা ট্রিবিউন - ৫ দিন, ১৫ ঘণ্টা আগে

loading ...