বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে নানা রকমের স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

এবার শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ

‘শিক্ষকের হাতে  হাতকড়া, এই সিদ্ধান্তে কীভাবে সাড়া’, ‘নিরপরাধ হাসনা হেনা আপার নিঃশর্ত মুক্তি চাই’, ‘দোষীদের বিচার করতে গিয়ে, নির্দোষীদের শাস্তি কেন?’ এমন নানা রকমের লেখা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

জনি রায়হান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:০৯
আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:০৯


বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে নানা রকমের স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের একাংশ।

৭ ডিসেম্বর, শক্রবার দুপুরে বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অরিত্রীর মৃত্যুর ঘটনার সাথে শিক্ষক হাসনা হেনার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি শুধু নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। তাই তার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে নানা রকমের স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা। ‘শিক্ষকের হাতে  হাতকড়া, এই সিদ্ধান্তে কীভাবে সাড়া’, ‘নিরপরাধ হাসনা হেনা আপার নিঃশর্ত মুক্তি চাই’, ‘দোষীদের বিচার করতে গিয়ে, নির্দোষীদের শাস্তি কেন?’ এমন নানা রকমের লেখা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

গত ৫ ডিসেম্বর, বুধবার রাত ১১টার দিকে উত্তরার একটি হোটেল থেকে অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ সদস্যরা। এরপর আদালতে নেওয়া হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।  

এর আগে ৪ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পল্টন থানায় অরিত্রী অধিকারীর বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপালসহ তিনজনকে আসামি করেন। মামলাটি করার পরই সেটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

পরীক্ষায় নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রীর নকলের অভিযোগে গত ৩ ডিসেম্বর তার বাবা দিলীপ অধিকারী ও মা বিউটি অধিকারীকে ডেকে পাঠায় রাজধানীর বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। স্কুলে এসে প্রথমে তারা প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে যান। কিন্তু তিনি তাদের অপমান করেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগ করা হয়, ওই সময় মেয়ের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) নিয়ে যেতে বলা হয় দুজনকে। পরে অরিত্রীর বাবা-মা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসের কক্ষে যান। সেখানেও মেয়ের সামনেই একই ধরনের আচরণের মুখোমুখি হন তারা।

অরিত্রী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বেরিয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে যায়। পরে তার বাবা-মা বাসায় গিয়ে দেখেন, মেয়ে তার কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে।

প্রিয় সংবাদ/হিরা

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু
প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু
সময় টিভি - ৩ দিন, ২ ঘণ্টা আগে