শুক্রবারও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেছিল ছাত্রীদের একাংশ। ছবি: প্রিয়.কম

শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে আজও বিক্ষোভে ভিকারুননিসার ছাত্রীরা

বিক্ষোভকারী ছাত্রীদের দাবি, অরিত্রীর মৃত্যুর সঙ্গে শিক্ষক হাসনা হেনার সংশ্লিষ্টতা নেই, তিনি পরিস্থিতির শিকার।

জনি রায়হান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৫৩ আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৫৩
প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৫৩ আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৫৩


শুক্রবারও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেছিল ছাত্রীদের একাংশ। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর ‘মৃতুর’ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার করা শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে আজও বিক্ষোভ করছে ভিকারুননিসার ছাত্রীদের একাংশ।

৮ ডিসেম্বর, শনিবার সকাল থেকেই ‘নিরপরাধ হাসনা হেনা অাপার নিঃশর্ত মুক্তিসহ তাকে সম্মানে ফিরিয়ে আনার দাবিতে আন্দোলন’ ব্যানারে বেইলি রোড ক্যাম্পাসের গেটের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছে ছাত্রীরা। এর অাগে গতকাল শুক্রবারও একই দাবিতে বিক্ষোভ করে ছাত্রীরা।

বিক্ষোভকারী ছাত্রীদের দাবি, অরিত্রী অধিকারীর মৃতুর ঘটনার সঙ্গে গ্রেফতার শিক্ষক হাসনা হেনার কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি শুধু পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন।

এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে আন্দোলনরত ছাত্রীরা। তাদের অনেকে হাতে লেখা নানা রকমের প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ব্যনারও প্রদর্শন করতে দেখা গেছে।

এসব প্ল্যাকার্ড ও ব্যনারে লেখা অাছে, ‘অামরা কি শিক্ষককে হাতকড়া পরিয়ে তাকে অাত্মহত্যায় প্ররোচিত করছি না?’, ‘মা তুল্য শিক্ষকের স্থান হবে বিদ্যালয়ে, কারাগারে নয়!’, ‘বয়কট, বয়কট’। 

৩ ডিসেম্বর, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর শান্তি নগরের ২৩/২৪ বাসার একটি কক্ষ থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে নকলের দায়ে ফাইনাল পরীক্ষা দিতে না দেওয়ায় সে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠে।

এই ঘটনার পর স্কুলটির প্রভাতী শাখার প্রধান জিন্নাত অারা নামের এক শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ৪ ডিসেম্বর অরিত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ তিন জনকে আসামি করে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তার বাবা দিলিপ অধিকারী।

আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে দিলিপ অধিকারীর দায়ের করা মামলায় ৫ ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে শিক্ষক হাসনা হেনাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এর পর ৬ ডিসেম্বর তাকে আদালতে হাজির করা হলে, অাদালত শিক্ষক হাসনা হেনাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...