মটর নিউরন রোগে আক্রান্ত নোয়েল কনওয়ে। ছবি: সংগৃহীত

স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকারে প্রচার চালাচ্ছেন এই শিক্ষক

যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার আইনগতভাবে স্বীকৃত নয়। নোয়েল এই আইনের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২৪ আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২৪
প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২৪ আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২৪


মটর নিউরন রোগে আক্রান্ত নোয়েল কনওয়ে। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) যুক্তরাজ্যের একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নোয়েল কনওয়ে। এই শিক্ষক স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার চান। আর সে জন্য বেশ কিছুদিন ধরে প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি।

যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার আইনগতভাবে স্বীকৃত নয়। নোয়েল এই আইনের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু আদালত তাকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেয়নি। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

নোয়েল বলছেন তাকে ঠকানো হয়েছে। মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তিকে স্বেচ্ছামৃত্যুর পথ বেছে নেওয়ার অধিকার না দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে তিনি ‘মধ্যযুগীয় মানসিকতা’ বলে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোয়েল কনওয়ে ২০১৪ সালে মস্তিষ্কের স্নায়ুর এক জটিল ব্যাধি মটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয় জানতে পারেন। এই রোগের এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা নেই। এই রোগ হলে মৃত্যুর আগে শরীরের হাত-পা সহ শরীরের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আস্তে আস্তে অকেজো হতে থাকে। অসুখটি সামনের দিকে ধীরে ধীরে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে বাকশক্তি আক্রান্ত হওয়াসহ প্যারালাইজড হয়ে যাওয়ার মতো জটিলতা দেখা যায়।

ইতোমধ্যে নোয়েলের মাথা ও গলার নিচে থেকে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্যারালাইজড হয়ে গেছে। তিনি চান তার মৃত্যু ছয় মাস আগে চিকিৎসকরা তাকে কোনো ওষুধ দিয়ে যেন মেরে ফেলেন।

নোয়েল জানান, খুব খারাপ অবস্থা হওয়ার আগে স্বেচ্ছামুত্যু হলে তিনি অন্তত সম্মানের সাথে মৃত্যুবরণ করবেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছামৃত্যুর নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে নোয়েল কনওয়ে গত দুই বছর ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ‘ডিগনিটি ইন ডাইং’ নামে একটি প্রচারণা সংস্থা তাকে সহায়তা করছে। এর আগে দুটি নিম্ন আদালতে মামলা করে হেরেছেন তিনি। এরপর দেশটির উচ্চ আদালতও নোয়েলের শুনানিতে রাজি হয়নি।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...