রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। ফাইল ছবি

সমুদ্র সম্পদ রক্ষায় দক্ষ নৌবাহিনীর প্রয়োজন: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এছাড়া আমাদের রয়েছে বিশাল সমুদ্র এলাকা। সমুদ্র সম্পদ রক্ষার্থে একটি ‍দক্ষ ও চৌকস নৌবাহিনীর বিকল্প নেই।’

জানিবুল হক হিরা
লেখক
প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:১৩ আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:১৩
প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:১৩ আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:১৩


রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। ফাইল ছবি

(ইউএনবি) দেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং সমুদ্র সম্পদ রক্ষার্থে একটি ‍দক্ষ ও চৌকস নৌবাহিনীর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। 

৯ ডিসেম্বর, রবিবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে আয়োজিত মিডশিপম্যান নৌ ক্যাডেটদের শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এছাড়া আমাদের রয়েছে বিশাল সমুদ্র এলাকা। সমুদ্র সম্পদ রক্ষার্থে একটি ‍দক্ষ ও চৌকস নৌবাহিনীর বিকল্প নেই।’

‘নৌবাহিনীকে সত্যিকারের একটি পূর্ণাঙ্গ ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী একটি শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে দেশের সমুদ্র জলসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের ভাবমূর্তি আরও সমুন্নত রাখতে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে, এ বিশ্বাস আমার রয়েছে’, বলেন তিনি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমরা শান্তিকামী জাতি। আমরা সবার সাথে বন্ধুত্ব চাই। কিন্তু আত্মরক্ষার্থে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে আমরা আপসহীন।’

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও দেশের প্রয়োজনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারের জন্য নৌবাহিনীর সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নবীন অফিসারদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘আপনাদের মনে রাখতে হবে যে, জাতি আপনাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের। জীবনবাজি রেখে জাতির সে সম্মান তোমাদের রক্ষা করতে হবে। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে আরও অধিক সংখ্যক দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণার্থীকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হবে। এর ফলে অপার সম্ভাবনাময় ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতির পূর্ণাঙ্গ সুবিধা আহরণের ক্ষেত্রেও সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

এর আগে রাষ্ট্রপতি মিডশিপম্যান ২০১৬ এবং ডিইও ২০১৮/বি ব্যাচের মনোমুগ্ধকর প্যারেডের সালাম গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

প্রিয় সংবাদ/হিরা/শান্ত 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...