ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বিন মুর্তজা। ছবি: প্রিয়.কম

‘আসলে দুনিয়ায় কাকতালীয় বলে কিছু নাই, আমরা বানাই’

জিম্বাবুয়ে সিরিজে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না মাশরাফি। উইন্ডিজ সিরিজেও একই অবস্থা। সেই সঙ্গে দিলেন একটি দুঃসংবাদও।

সৌরভ মাহমুদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:২৯ আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:২৯
প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:২৯ আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:২৯


ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বিন মুর্তজা। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের ১৩তম ওয়ানডে খেলতে নেমেছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ভারতের বিপক্ষে ৩১ রানের হার না মানা ইনিংস আর ৩৬ রানে দুই উইকেট নিয়ে মাশরাফি সেদিন হয়েছিলেন বাংলাদেশের অবিস্মরণীয় জয়ের রূপকার।

১৪ বছর পর। ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বর। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের ২০০তম ওয়ানডে খেললেন মাশরাফি। মাইলফলকের ম্যাচে আবারও জ্বলে উঠলেন তিনি। দুই স্পেলে বোলিং করে ১০ ওভারে ৩০ রানে তিন উইকেট শিকার করেই জয়ের স্থপতি সেই মাশরাফিই।

মজার ব্যাপার দুই ম্যাচেই ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতেছেন মাশরাফি। যেন মাইলফলকের ম্যাচ পেলেই জ্বলে ওঠেন তিনি। ব্যাপারটা কি কাকতালীয়? অনেকটা দার্শনিক জবাবই দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

এ নিয়ে মাশরাফির ভাষ্য, ‘১০০তম ম্যাচেরটা মনে আছে বোধহয় ইন্ডিয়ার সাথে ম্যাচটি ছিল, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচটা ছিল। এটা অনেক দিন মনে ছিল, এখনও আছে। আজকেরটা তো রিসেল্টলি হলো, ভুলার তো সুযোগ নাই। আসলে দুনিয়ায় কো এনসিডেন্ট বলে কিছু নাই, আমরা বানাই। ঘটনা ঘটে এই আর কি।’

প্রশ্ন উঠল মাইলস্টোনতো আপনার কাছে কম গুরুত্বের। কিন্তু মাইল ফলকের ম্যাচে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হওয়ার পরও কি তার গুরুত্ব কম থাকে আদৌ? মাশরাফির জবাব, ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ হতে পারলে অবশ্যই ভালো লাগে। সেটা খুব স্বাভাবিক। বিশেষ করে ম্যাচটা যেহেতু জিততে পেরেছি। তবে মাইলস্টোন আসলে ওইরকম কিছু মনে হচ্ছে না।’

জিম্বাবুয়ে সিরিজে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না মাশরাফি। উইন্ডিজ সিরিজেও একই অবস্থা। সেই সঙ্গে দিলেন একটি দুঃসংবাদও। যোগ হয়েছে হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরি। 

নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে মাশরাফির ভাষ্য, ‘ইনজুরি জিম্বাবুয়ে সিরিজে যেটা ছিল সেটা এখনও ক্যারি করছি। তিন উইকেট পেয়েছি বলে যে একেবারে বেস্টে আছি তা না। সাথে আরও একটা ইনজুরি যোগ হয়েছে হ্যামস্ট্রিংয়ের, যেটা আমার নরমালি ছিল না। শারীরিকভাবে যা জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে খুব ভালো আছি তা না।’

‘শেষ ম্যাচেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছি। ফিটনেস টেস্ট দিইনি আজকে, তৈরি ছিলাম খেলার জন্য। এখন পর্যন্ত একই অবস্থায় আছে,’ যোগ করেন মাশরাফি।

ফিটনেস টেস্টে নেতিবাচক কিছু এলে হয়ত খেলাই হত না মাশরাফির। কিন্তু বোলিং দেখে কে বলবে শারীরিকভাবে ভালো ছিলেন না রবিবারই ২০০তম ওয়ানডে খেলা এ মহাতারকা!

প্রিয় খেলা/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...