গ্র্যাচুইটি পেলেও পেনশন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই শিক্ষকরা। ফাইল ছবি

প্রশিক্ষণ সনদ নেই, আটকে গেছে ৪০০ শিক্ষকের পেনশন

বয়স ৫০ পেরিয়ে যাওয়ায় অনেক শিক্ষক সার্টিফিকেট ইন-এডুকেশন (সিইন-এড) প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারেননি।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:২০ আপডেট: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:২০
প্রকাশিত: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:২০ আপডেট: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:২০


গ্র্যাচুইটি পেলেও পেনশন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই শিক্ষকরা। ফাইল ছবি

(ইউএনবি) প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট না থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় চার শতাধিক শিক্ষক পেনশনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। এতে করে বৃদ্ধ বয়সে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে অভিযোগ ভূক্তভোগী শিক্ষকদের।

২০১৩ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো সরকারিকরণের সময় অনেক শিক্ষকের বয়স ৫০ পেরিয়ে গেছে। ফলে তারা সার্টিফিকেট ইন-এডুকেশন (সিইন এড) প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারেননি। তাই তারা এখন দুর্ভোগে পড়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম সিরাজী জানান, ‘প্রশিক্ষণ না থাকায় অবসর গ্রহণের পর পেনশনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।’

তিনি আরও জানান, ১৯৭৪ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সিইনএড প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও ২০১০ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের এক নির্দেশে তাদেরকে পেনশন ও গ্র্যাচুইটি প্রদান করা হয়। কিন্তু তারা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ভুক্তভোগী কয়েকজন শিক্ষক জানান, মানবিক কারণে শিক্ষকদের পেনশন ও যাবতীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে আবেদন করলেও এখনও পর্যন্ত কোনো ফল পাননি শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক বলেন, ‘এসব শিক্ষকদের সিইনএড প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট ও এইচএসসি সার্টিফিকেট নেই, তাই তারা পেনশন পাচ্ছেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা গ্র্যাচুইটি পাচ্ছেন। সরকার তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তারা পেনশনও পাবেন।’

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...