আমেরিকার হাসপাতালে ভর্তি মরণাপন্ন সন্তান আবদুল্লা। ছবি: সংগৃহীত

২১ মাস পর মরণাপন্ন সন্তানকে দেখার সুযোগ পেলেন ইয়েমেনি মা

ইয়েমেনের বাসিন্দা হলেও সাইমা বসবাস করেন মিসরে। ২০১৬ সালে ইয়েমেনে তাদের দেখা হওয়ার পরই বিয়ে করেন তারা এবং তারপরই তাদের সন্তান আবদুল্লার জন্ম।

আজাদ চৌধুরী
জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:০১ আপডেট: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:০১
প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:০১ আপডেট: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:০১


আমেরিকার হাসপাতালে ভর্তি মরণাপন্ন সন্তান আবদুল্লা। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) গুরুতর মস্তিষ্কের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে আমেরিকার হাসপাতালে ভর্তি মরণাপন্ন সন্তান আবদুল্লা। কিন্তু পরবাসী হওয়ায় মা সাইমা সুযোগ পাচ্ছিলেন না তার সঙ্গে দেখা করার। এর পেছনে ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি। অবশেষে ২১ মাস পর সন্তানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেলেন মা সাইমা।

১৯ ডিসেম্বর, ‍বুধবার আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনের নাগরিক সাইমা সুইলের সঙ্গে বিয়ে হয় আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসকারী আলি হাসানের। ইয়েমেনের বাসিন্দা হলেও সাইমা বসবাস করেন মিসরে। ২০১৬ সালে ইয়েমেনে তাদের দেখা হওয়ার পরই বিয়ে করেন তারা এবং তারপরই তাদের সন্তান আবদুল্লার জন্ম। কিন্তু জন্ম থেকেই মস্তিষ্কের জটিল সমস্যায় ভুগছে সে সন্তান।

আবদুল্লার পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় তাকে নিয়ে আমেরিকা চলে আসেন আলি। কিন্তু ট্রাম্প সরকারের নীতিতে আটকে যান সাইমা। ২০১৭ সালের অগাস্ট এবং ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে পরপর দুবার ইন্টারভিউ দিয়েও ভিসা পাননি তিনি। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ট্রাম্প প্রশাসনকে। অনেকেই একে অমানবিক এবং অ-আমেরিকানসুলভ বলেও অভিহিত করেন।

বারংবার আবেদনের পর অবশেষে অপেক্ষার অবসান হয় সাইমার। দীর্ঘ ২১ মাস পর নিজের মরনাপন্ন সন্তানের সঙ্গে মিলিত হতে পারার সুযোগ পান ইয়েমেনের এই মহিলা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকায় সরকার গঠনের পর যেসব দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, মুসলিম অধ্যুষিত ইয়েমেন ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম।

প্রিয় সংবাদ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...