‘স্টুপিড নারী’ বলার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন জেরেমি করবিন। ছবি: সংগৃহীত

থেরেসা মেকে ‘স্টুপিড নারী’ বললেন করবিন (ভিডিও)

দেশটির বিরোধীদল লেবার পার্টির নেতা জেরমি করবিন হাউস অব কমন্সে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে থেরেসা মেকে ‘স্টুপিড উইমেন’ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১১:৪৮ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:৪৮
প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১১:৪৮ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৩:৪৮


‘স্টুপিড নারী’ বলার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন জেরেমি করবিন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের প্রশ্নোত্তর পর্ব চলার সময় লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন তাকে ‘স্টুপিড নারী’ বলেছেন বলে দাবি করেছেন কনজারভেটিভ সংসদ সদস্যরা। তারা করবিনকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করবিন এ বিষয়ে জানান, তিনি এরকম কোনো শব্দ উচ্চারণ করেননি। বরং তিনি বলেছেন, ‘স্টুপিড পিপল।’ যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বা নারীদের প্রতি বিদ্রূপমূলক ভাষা ব্যবহারের তিনি সবসময়েই বিরোধী বলে জানিয়েছেন লেবার পার্টির এই নেতা।

অভিযোগের ভিত্তিতে হাউজ অব কমন্সের স্পিকার জন বারকো বলেন, ‘ঘটনাটি তিনি দেখতে পাননি এবং সব সংসদ সদস্যকে বক্তব্যের ভিত্তিতে গ্রহণ করা উচিত।’

তবে কনজারভেটিভ সংসদ সদস্যদের মতে, ‘করবিনের ব্যাখ্যায় তারা সন্তুষ্ট নন। এ ছাড়া তার ক্ষমা চাইতে হবে।’

করবিন এ বিষয়ে বলেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চলার সময় আমি তাদের কথাই বলছিলাম, যারা দেশের এই সংকট নিয়ে চলা একটি বিতর্ককে কৌতুকে পরিণত করতে চাইছে, তাদেরকেই আমি ‘স্টুপিড পিপল’ বলেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করে ‘স্টুপিড নারীর’ মতো শব্দ ব্যবহার করিনি।’

করবিনের এমন বক্তব্যের জবাবে কনজারভেটিভ সংসদ সদস্য র‍্যাচেল ম্যাকলিন বলেন, ‘ঠোঁটের ভাষা পড়ে দেখুন, আমি তাকে বিশ্বাস করি না।’

হাউজ অব কমন্সের স্পিকার জন বারকো অভিযোগের ভিত্তিতে বলেছেন, ‘করবিনের বিরুদ্ধে যে আচরণের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তিনি সেই ভিডিও পরীক্ষা করে দেখেছেন, যেখানে মাইক্রোফোনে কোনো শব্দ আসেনি এবং সেটা দেখে সহজেই বুঝতে পারা যায় যে, কেন বিরোধী নেতার শব্দকে ‘স্টুপিড নারী’ হিসাবেও বর্ণনা করা যায়।’

ঠোঁটের ভাষা পড়তে পারেন, এমন একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়েছেন স্পিকার। তাকে ওই ভিডিওটি দেখানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। 

বারকো বলেন, ‘‘করবিন পুরো সময় বসেই ছিলেন এবং হাউজকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলেননি, তাই তার বক্তব্য ‘অন রেকর্ড’ হিসেবে গ্রহণীয় হবে না।’’

গত সপ্তাহে থেরেসা মের সঙ্গে করবিনের প্রথম সংঘাত শুরু হয় বেক্সিট চুক্তি নিয়ে। গত সপ্তাহে করবিন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের বিরুদ্ধে আস্থা ভোটের উদ্যোগ নিয়েছেন। ১১৪ জানুয়ারির আগে ব্রেক্সিট চুক্তিতে আইনপ্রণেতাদের (এমপি) ভোট দেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করার পর জেরেমি করবিন এই পদক্ষেপ নেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়াকে ব্রেক্সিট বলে।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

কে-পপ সাম্রাজ্যের পতন?

প্রিয় ৬ ঘণ্টা, ২৭ মিনিট আগে

loading ...