ঢাকা ডায়নামাইটসের বোলারদের দাপটে টিকতেই পারেনি খুলনা টাইটান্সের ব্যাটসম্যানরা। ছবি: প্রিয়.কম

ঢাকা ডায়নামাইটসের টানা দ্বিতীয় জয়

দুই ম্যাচেই রান পাহাড় গড়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। প্রথম ম্যাচে ১৯৮ রানের পর এই ম্যাচে ঢাকার সংগ্রহ ১৯২ রান।

সৌরভ মাহমুদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩৭ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৪৩
প্রকাশিত: ০৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩৭ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৪৩


ঢাকা ডায়নামাইটসের বোলারদের দাপটে টিকতেই পারেনি খুলনা টাইটান্সের ব্যাটসম্যানরা। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) প্রথম ম্যাচে রান পাহাড় গড়েই জয় তুলে নেয় ঢাকা ডায়নামাইটস। দ্বিতীয় ম্যাচেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখল চতুর্থ আসরের চ্যাম্পিয়নরা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের চতুর্থ ম্যাচে খুলনা টাইটান্সকে ১০৫ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেল ঢাকা ডায়নামাইটস।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে হযরতউল্লাহ জাজাইয়ের হাফসেঞ্চুরি ও কাইরন পোলার্ড-আন্দ্রে রাসেলের ক্যামিও ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে স্কোরকার্ডে ১৯২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় ঢাকা। জবাবে ঢাকার বোলারদের দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ৮৭ রানেই গুটিয়ে যায় খুলনা।

ঢাকা পায় ১০৫ রানের জয়। এই বড় জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে সাকিব আল হাসানের দল।

রান পাহাড় তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে খুলনা টাইটান্স। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার পল স্টার্লিং (১)। চতুর্থ ওভারে ফেরেন তিন নম্বরে নামা জহুরুল ইসলাম (১)। তিন বলের ব্যবধানে সাজঘরের পথ ধরেন আরেক ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকীও।

বাঁহাতি এই ওপেনার ১৬ বলে তিন ছক্কা ও এক চারে করেন ৩১ রান। ইনিংসের সপ্তম ওভারে দলকে বিপদে ফেলে বিদায় নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। পরের ওভারে সাজঘরে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্তও (১৩)। তখন খুলনার সংগ্রহ ৬০ রান; যদিও ফিরে গেছেন টপঅর্ডারের পাঁচ ব্যাটসম্যান।

ষষ্ঠ উইকেটে আরিফুল হক ও ডেভিড ওয়াইস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। যদিও ঢাকার অধিনায়ক সাকিবের বলে ডেভিড ফিরে গেলে ভাঙে ২৩ রানের এই জুটি। পরের ওভারে রান আউটের শিকার হন তাইজুল ইসলাম। দুই বলের ব্যবধানে ফেরেন শরিফুল ইসলামও।

ওভারের শেষে বলে রান আউটের শিকার হন জহির খান। ১৩ ওভারে ৮৭ রানেই গুটিয়ে যায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলের ইনিংস। ঢাকার হয়ে সাকিব নেন একাই তিনটি উইকেট। সুনীল নারাইন নেন দুটি উইকেট। এ ছাড়া শুভাগত হোম ও মোহর শেখ নেন একটি করে উইকেট।

এর আগে হোম অব ক্রিকেটে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং উপহার দেয় ঢাকার দুই ওপেনার হযরতউল্লাহ জাজাই ও সুনীল নারাইন। দুই ছক্কা ও এক চারে ব্যক্তিগত ১৯ রানে নারাইন ফিরলেও টানা দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন হযরতউল্লাহ জাজাই।

চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে পাওয়ার প্লে শেষেই ঢাকার সংগ্রহ ছিল ৭২ রান। তিন নম্বরে নামা রনি তালুকদারও ঝড়ো ব্যাটিং উপহার দেন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে ফেরার আগে দুই ছক্কা ও তিন চারে ২৪ রান করেন তিনি। রনি ফেরার পরপরই সাজঘরে ফেরেন পাঁচ ছক্কা ও তিন চারে ৫৭ রান করা জাজাই।

আফগান ক্রিকেটার ফেরার পর বলে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও (০)। দুটি উইকেটই তুলে নেন খুলনার আইরিশ অলরাউন্ডার পল স্টার্লিং। এরপর দুই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানের ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথে এগোতে থাকে ঢাকা। ১৬ বলে পোলার্ড ২৭ ও ২২ বলে রাসেল ২৫ করে সাজঘরে ফেরেন।

শেষ পর্যন্ত কাজী নুরুল হাসান সোহান ও শুভাগত হোমের ব্যাটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে স্কোরকার্ডে ১৯২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় ঢাকা ডায়নামাইটস। খুলনার হয়ে ডেভিড ওয়াইস ও পল স্টার্লিং নেন দুটি করে উইকেট।

প্রিয় খেলা/শান্ত

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

আহা, জয় এত মধুর!

প্রিয় ৬ দিন, ১ ঘণ্টা আগে

loading ...