বাচ্চারা একটু বড় হলেই অনেক বাবা-মা পটি ট্রেইনিং করাতে চান। ছবি: সংগৃহীত

শিশুকে ‘পটি ট্রেইন’ করাচ্ছেন? জেনে রাখুন ৬টি তথ্য

পটি ট্রেইনিং এমন একটি যন্ত্রণা যা প্রতিটি শিশুর বাবা-মাকে সামলাতে হয়।

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৭ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৭
প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৭ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৭


বাচ্চারা একটু বড় হলেই অনেক বাবা-মা পটি ট্রেইনিং করাতে চান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বাড়ন্ত শিশুকে পটি ট্রেইনিং করাতে গিয়ে অনেক বাবা-মায়েরই ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়। ডায়াপার থেকে টয়লেট বা শিশুদের ছোট পটি পর্যন্ত তাদেরকে নিতে বেশ বেগ পেতে হয়।  স্বাভাবিকভাবেই নতুন একটি জিনিসে অভ্যস্ত হতে গিয়ে শিশুরা জেদ করে, কান্নাকাটি করে, কথা শুনতে চায় না একদমই! আপনিও যদি এমন সমস্যার মাঝে থাকেন, তাহলে জেনে নিন দরকারি কিছু তথ্য-

১) অ্যাক্সিডেন্ট হতেই পারে

পটি ট্রেইনিং এমন একটি যন্ত্রণা যা প্রতিটি শিশুর বাবা-মাকে সামলাতে হবেই। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনার জন্য প্রস্তুত থাকুন। পটি ট্রেইনিং হয়ে গেলেও মাঝে মাঝে আপনার শিশু নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে বিছানায়, বা প্যান্টে বাথরুম করে দিতে পারে। এ সময় তাকে বকা বা মারধর করে আসলে লাভ নেই। তাকে বলুন, ‘একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে গেছে, চল আমরা এটা পরিষ্কার করে ফেলি।’ এতে শিশু লজ্জাও পাবে না, আর সে বুঝতে পারবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকাটা জরুরী।

২) ‘ঘুষ’ কাজে আসতে পারে

সন্তানকে ‘ঘুষ’ দিয়ে কাজ আদায় করার নামে বাবা-মা রেগে যেতে পারেন, কিন্তু এক্ষেত্রে আসলে তা কাজে আসে। সন্তান অনেক সময়ে পটিতে বসতেই চায় না। তাকে বলুন, পটিতে বসে কাজ সারলে তাকে দেবেন সুন্দর একটা স্টিকার, অথবা কয়েকটা চকলেট। এটা কিন্তু দারুণ কাজে আসবে!

৩) একবার কাজ না হলে বারবার

আপনি হয়তো এমন বয়সে শিশুকে পটি ট্রেইন করানো শুরু করলেন যখন সে প্রস্তুত নয়। বারবার অ্যাক্সিডেন্ট হতেই থাকবে, শিশু কান্নাকাটি করবে আর আদতে লাভ কিছুই হবে না। এমনটা হলে কিছুদিন পটি ট্রেইনিং করানোর চেষ্টা বন্ধ রাখুন। কারণ অতিরিক্ত চাপাচাপি করলে টয়লেটে যাওয়া নিয়ে শিশুর ভয় তৈরি হবে। তাই কিছুদিনের জন্য আবার শিশুকে ডায়াপার পরান।  কয়েক মাস পর আবার পটি ট্রেইনিং করানো শুরু করুন।

৪) টাইমার সেট করে নিন

প্রতিদিন কয়েকটা সময় ঠিক করে নিন যে সময়ে আপনার শিশুর টয়লেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এসব সময়ে ফোনে টাইমার দিয়ে রাখুন। টাইমার বাজলে শিশুকে পটিতে বসিয়ে দিন। এতে তাদের একই সময়ে বাথরুমে যাওয়ার অভ্যাস তৈরি হবে। অ্যাক্সিডেন্টের ঝুঁকিও কমে যাবে।

৫) কিছুদিন প্যান্ট না পরিয়েই রাখুন

শীতকালে নয়, তবে অন্যান্য মৌসুমে পটি ট্রেইনিং করানোর সময়ে শিশুকে প্যান্ট না পরিয়ে রাখতে পারে প্রথম কিছুদিন। এতে বারবার প্যান্ট খোলার সমস্যায় তাকে পড়তে হবে না। টয়লেট চাপলে নিজেই দ্রুত পটিতে বসে যেতে পারবে।

৬) দিন ও রাতের হিসেব আলাদা

দিনের বেলায় অর্থাৎ জেগে থাকা অবস্থাতে শিশু পটি ট্রেইনিং করে ফেললেও রাতে ঘুমের মাঝে যে বিছানা ভিজিয়ে ফেলতে পারে।  তাই ঘুমানোর সময়ে ডায়াপার পরানো বন্ধ করবেন না আরও কিছু দিন।  দিনের পটি ট্রেইনিং করানো হয়ে গেলে ধীরে ধীরে রাতের পটি ট্রেইনিং করান। ঘুমানোর আগে একবার টয়লেট করিয়ে নিন তাকে, বেশি পানি পান করাবেন না এ সময়ে। এভাবে কিছুদিন অ্যাক্সিডেন্ট হলেও একটা সময়ে শিশু ঘুম ভেঙ্গে টয়লেটে যেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে।

সূত্র: পপসুগার

প্রিয় লাইফ/ আর বি 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...