মায়ের নাম লেখা জার্সি হাতে মুস্তাফিজুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর অনন্য উদ্যোগে মুগ্ধ মুস্তাফিজ

শুধু ক্রিকেটারদের জার্সিতেই নয়, রাজশাহী কিংসের কোচিং স্টাফদের জার্সিতেও ছিল তাদের মায়ের নাম।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫৮ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫৮
প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫৮ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫৮


মায়ের নাম লেখা জার্সি হাতে মুস্তাফিজুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রতিটি আসরেই কোনো না কোনো ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয় রাজশাহী কিংস। ষষ্ঠ আসরেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই মাঠ ও মাঠের বাইরে একের পর এক চমক উপহার দিয়ে যাচ্ছে পদ্মা পাড়ের দলটি। এরই অংশ হিসেবে বুধবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে মায়ের নাম লেখা জার্সি পরে মাঠে নামেন রাজশাহীর খেলোয়াড়রা।

শুধু ক্রিকেটারদের জার্সিতেই নয়, রাজশাহী কিংসের কোচিং স্টাফদের জার্সিতেও ছিল তাদের মায়ের নাম। রাজশাহীর অনন্য এই উদ্যোগে মুগ্ধতা ছুঁয়ে গেছে দলটির পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার।

ইনস্টাগ্রামে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে রাজশাহীর জার্সি হাতে একটি ছবি পোস্ট করেন মুস্তাফিজ। তবে ৯০ নম্বর জার্সিটির পেছনে নিজের নাম নয়, শোভা পাচ্ছে তার মায়ের নাম মাহমুদা।

রাজশাহী কিংসের খেলোয়াড়দের জার্সির পেছনে লেখা ছিল তাদের মায়ের নাম। ছবি: প্রিয়.কম

ছবির ক্যাপশনে কাটার মাস্টার লেখেন, ‘মায়ের নাম দিয়ে বিশেষ জার্সি পরতে পারা সম্মানের। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো আমার এই অভিজ্ঞতা হলো। রাজশাহী কিংসের চমৎকার একটি উদ্যোগ। তাদের উদ্যোগের প্রশংসা করছি।’

২০১৬ সালের অক্টোবরে নিউজিল্যান্ড সিরিজে মহেন্দ্র সিং ধোনি-বিরাট কোহলিদের জার্সির পেছনে লেখা ছিল তাদের মায়ের নাম। কেবল তাই নয়, সেদিন গ্যালারিতেও উপস্থিত ছিলেন সব ভারতীয় ক্রিকেটারের মা। এবার বিপিএলে রাজশাহী কিংসের সুবাদে বাংলাদেশেও প্রথমবারের মতো দেখা মিলল এমন দৃশ্যের।

বিপিএলের সর্বশেষ আসরেও অভিনব এক উদ্যোগ নিয়েছিল রাজশাহী। ‘এ সিক্স অফ দ্য গ্রাউন্ড, এ ট্রি অন দ্য গ্রাউন্ড’ স্লোগানে বৃক্ষরোপণ ক্যাম্পেইন চালায় তারা। এ জন্য বেছে নেওয়া হয় দলের ব্যাটসম্যানদের। ব্যাটসম্যানরা পুরো বিপিএলে যে কয়টা ছয় হাঁকান, ঠিক ততোটি গাছ লাগায় দলটি।

প্রিয় খেলা/শান্ত মাহমুদ