বছরের পর বছর ধরে পোচিং, স্মাগলিং আর বন উজাড় করার ফলাফল হিসেবে খুবই কম এলাকায় বর্তমানে বাঘ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

১০ বছরের মাঝে বিলুপ্ত হয়ে যাবে বাঘ

বাঘ বিলুপ্ত হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী এই প্রথম নয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই বিলুপ্তির প্রান্তে অবস্থান করছে বাঘ।

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩১ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩১
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩১ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩১


বছরের পর বছর ধরে পোচিং, স্মাগলিং আর বন উজাড় করার ফলাফল হিসেবে খুবই কম এলাকায় বর্তমানে বাঘ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) পরিবেশ ধ্বংস করা বন্ধ না হলে আগামী এক দশকের মাঝেই বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বাঘ, হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্রিটিশ ওয়াইল্ডলাইফ চ্যারিটি ‘বর্ন ফ্রি’ এর সিইও হাওয়ার্ড জোনস।

‘বাঘ ছাড়া পৃথিবী চিন্তাই করা যায় না কিন্তু দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি সেদিকেই যাবে,’ মন্তব্য করেন তিনি।

বাঘ বিলুপ্ত হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী এই প্রথম নয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই বিলুপ্তির প্রান্তে অবস্থান করছে বাঘ। ২০১২ সালে ওয়াইল্ডলাইফ এক্সপার্টরা ধারণা করেন, ১২ বছরের মাঝে প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে বাঘ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড এবং গ্লোবাল টাইগার ফোরামের ২০১৬ সালের হিসেব অনুযায়ী, বিগত ১০০ বছরে ৯৬ শতাংশ বাঘ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।  আগে ১ লাখের মতো বাঘ ছিল। ২১শ শতকে সারা বিশ্বে সে সংখ্যা মাত্র ৪ হাজারে নেমে আসে।

বছরের পর বছর ধরে পোচিং, স্মাগলিং আর বন উজাড় করার ফলাফল হিসেবে খুবই কম এলাকায় বর্তমানে বাঘ রয়েছে। আগে সিঙ্গাপুর ও তুরস্কেও ছিল এই প্রাণীটি। এখন সেখানে তাদের কোনো চিহ্নই নেই।  আইইউসিএন নামের এক সংস্থার হিসেব বলে, বন্য পরিবেশে বর্তমানে ২১৫৪ থেকে ৩১৫৯টি প্রাপ্তবয়স্ক বাঘ বেঁচে আছে।  এছাড়া খাঁচায় থাকা বাঘ মিলিয়ে মোট ৭ হাজার বাঘ থাকতে পারে।  ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় বাঘ কমে যাচ্ছে। কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড দাবি করছে তাদের সংখ্যা বাড়ছে। এর কারণ সম্ভবত এই সংস্থাটি অপ্রাপ্তবয়স্ক বাঘকেও গোনায় ধরে।  এই মাসের শেষের দিকে আরও নতুন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার কথা। তা থেকেই আসলে বর্তমান পরিস্থিতি বোঝা যাবে।

হাওয়ার্ড জোনসের কথায় অনেকে ভয় পেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। নেপালে গত বছরের এক গবেষণায় দেখা যায়, সেখানে বন্য বাঘের সংখ্যা ১২১ থেকে বেড়ে ২৩৫ হয়ে গেছে। অন্যান্য দেশও নেপালের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারে।

সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

প্রিয় লাইফ/ আর বি 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...