বিশাল উল্কাপিণ্ডের আঘাতে পৃথিবী ধ্বংসের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবী ধ্বংসের আশঙ্কা বিজ্ঞানীরা গোপন করছেন কি?

অনেকেই মনে করেন যে পৃথিবীর ধ্বংসের আশঙ্কা দেখা দিলে বিজ্ঞানীরা তা বেমালুম চেপে যাবেন!

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২৩:০৫ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২৩:০৫
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২৩:০৫ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২৩:০৫


বিশাল উল্কাপিণ্ডের আঘাতে পৃথিবী ধ্বংসের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) আমরা সবাই জানি পৃথিবীতে এক সময়ে ডায়নোসরের বিচরণ ছিল।  পৃথিবীতে বিশাল এক উল্কাপিণ্ডের আঘাতে ঘটা ঘটনাপ্রবাহে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। পৃথিবীর দিকে যদি আবারো এমন উল্কাপিণ্ড ধেয়ে আসতে থাকে, তাহলে কী মানুষ জানতে পারবে? যদি নাসা আমাদেরকে জানায়, তাহলে হয়তো জানা যেতে পারে।

নাসার মহাকাশক্সারী মিশেল থ্যালার ইউটিউবে এক ভিডিওতে জানান, বিজ্ঞানীরা যদি জানতে পারে পৃথিবীকে আঘাত করতে যাচ্ছে একটি উল্কাপিণ্ড, তাহলে তারা অবশ্যই এই তথ্য জানাবে।  কারণ তা বেশিদিন লুকিয়ে রাখা যাবে না। সংঘর্ষের আগে খালি চোখেই তা দেখা যাবে।

অনেক মানুষ আছে যারা মনে করেন, পৃথিবী ঝুঁকিতে থাকলেও বিজ্ঞানীরা এসব তথ্য চেপে যাবে। এ বিষয়ে খুবই অবাক হন মিশেল। তিনি জানান, ২০১২ সালে সবাই যখন ভাবছিল মায়ান ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে, তখন তাকে এক ব্যক্তি ফোন করেন ও তার কাছে জানতে চান পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে কিনা।

মিশেল বলেন, ‘পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে তা জানতে পারলে কী আমি অফিসের ডেস্কে বসে কাজ করতে পারতাম? অবশ্যই না।’

তবে ডায়নোসরের মতো পরিনতি মানুষের হওয়ার কথা না। এখন পর্যন্ত উল্কাপিণ্ডের আঘাত থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই বটে। কিন্তু নাসা কিছু সমাধান বের করার চেষ্টা করছে। এখন পর্যন্ত তাদের আইডিয়ার মাঝে আছে, উল্কাপিণ্ডের দিকে সরাসরি একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা যাতে তা পথচ্যুত হয়। এছাড়াও ‘আর্মাগেডন’ সিনেমাটির মতো নিউক্লিয়ার বোম মেরে তাকে উড়িয়ে দেওয়াটাও তাদের পরিকল্পনায় আছে।

নিকট ভবিষ্যতে পৃথিবীকে আঘাত হানতে পারে এমন কোনো বিশাল উল্কাপিণ্ড দেখা যাচ্ছে না বটে। তবে ছোট ছোট কিছু উল্কাপিণ্ড দেখা দিতে পারে। যেমন ২০১৩ সালে রাশিয়ার চেলইয়াবিন্সকে আঘাত হানা উল্কাপিণ্ডটি।  এমনকি ২৫ শতাংশ উল্কাপিণ্ডকে আগে থেকে শনাক্ত করা না গেলেও তারা আস্ত একটি শহর গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হতে পারে।

সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

প্রিয় বিজ্ঞান/ আর বি