শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের জন্য একটি প্রক্রিয়া হলো ওয়াক্সিং। ছবি: সংগৃহীত

ত্বক ওয়াক্স করলে হতে পারে যেসব সমস্যা

ওয়াক্সিং করতে গিয়ে ব্যথা পেলেও ত্বক মসৃণ হয়ে ওঠে ও বেশ কিছুদিন লোম দেখা দেয় না বলে অনেকেই তা পছন্দ করেন। তবে ওয়াক্সিং করানোর সময়ে ব্যথা পাওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু ক্ষতি হতে পারে ত্বকে, যা জানেন না অনেকেই।

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৩ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৩
প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৩ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৩


শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের জন্য একটি প্রক্রিয়া হলো ওয়াক্সিং। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের জন্য অনেক নারীই অনেক প্রক্রিয়া অবলম্বন করেন। এর মাঝে একটি হলো ওয়াক্সিং। ওয়াক্সিং করতে গিয়ে ব্যথা পেলেও ত্বক মসৃণ হয়ে ওঠে ও বেশ কিছুদিন লোম দেখা দেয় না বলে অনেকেই তা পছন্দ করেন। তবে ওয়াক্সিং করানোর সময়ে ব্যথা পাওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু ক্ষতি হতে পারে ত্বকে, যা জানেন না অনেকেই।

ওয়াক্সিং করানোর সময়ে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় দুইটি সমস্যা, তা হলো বার্ন ও ইনফেকশন।

হট ওয়াক্স করানো হয় বেশিরভাগ পার্লারে। এমনকি অনেকে বাড়িতেও এভাবে ওয়াক্স করেন। এই ওয়াক্সের তাপমাত্রা হওয়া উচিত শরীরের তাপমাত্রার সমান। কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই তাকে বেশি গরম করে ফেলা হয় ও ত্বক পুড়ে যায়। ওয়াক্স করানোর আগে ত্বকে হাইড্রক্সি এসিড বা এধরণের এক্সফলিয়েটিং উপাদানযুক্ত প্রডাক্ট ব্যবহার করলে পোড়ার ঝুঁকি বাড়ে।  অনেকে ত্বকে রেটিনল ব্যবহার করেন। ওয়াক্স করার অন্তত ৩-৪ দিন আগে থেকে রেটিনল ব্যবহার বন্ধ করুন।  নয়তো ত্বক পোড়ার ঝুঁকি বেশি থাকবে।

এছাড়া ওয়াক্সিং করালে ত্বকে ইনফেকশন হতে পারে বিভিন্ন ধরণের। ওয়াক্স করার পর ত্বক লালচে, গরম হয়ে থাকতে পারে ও ব্যথা হতে পারে। অনেকের ফলিকুলাইটিস হতে পারে। ফলিকুলাইটিস হলো এক ধরণের লালচে ব্রণের মতো সমস্যা যা রোমকূপে ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশনের জন্য হয়। বেনজয়িল পারক্সাইড আছে এমন ক্লিনজার এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।

অতীতে আপনার কোনো ইনফেকশন হয়ে থাকলে সেটাকেও আবার ফিরিয়ে আনতে পারে ওয়াক্সিং। অনেকের হার্পিস বা এধরণের ইনফেকশনের ইতিহাস থাকে। ওয়াক্সিং করলে তা আবার ফিরে আসতে পারে।

এক্ষেত্রে কী ওয়াক্সিং করা বন্ধ করে দেবেন? না, বরং কিছু বিষয়ে একটু সতর্ক থাকতে হবে।  

প্রথমত, কাকে দিয়ে ওয়াক্সিং করাবেন? ভালো মানের পার্লারে ওয়াক্সিং করান। তাদের কাছ থেকে ওয়াক্সিং করিয়েছে এমন কারো অভিজ্ঞতা জানুন। তারা জীবাণুমুক্ত উপাদান ব্যবহার করছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

কোন পার্লারে ওয়াক্সিং করবেন তা নিশ্চিত হওয়ার পর ত্বকে স্ক্রাব বা এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করবেন না। কারণ তাতে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে ওঠে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয় বেড়ে যায়।  এছাড়া ত্বকে ময়েশ্চারাইজার মাখা উচিত নিয়মিত।  ব্যবহার করতে পারেন হায়ালুরনিক এসিড আছে এমন ময়েশ্চারাইজার।

সবশেষে, আপনার রোম যথেষ্ট বড় কিনা দেখুন। কারণ একদম ছোট রোম ওয়াক্স করা ঠিক নয়। তাতে ইনফেকশন হতে পারে। রোম অন্তত ১-২ মিলিমিটার হওয়ার পর ওয়াক্স করুন।

সূত্র: ইয়াহু মেইল

প্রিয় আইফ/ আর বি 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...