গণফোরামের দু’জন শপথ নিলে, সেটা জোটকে সংকটে ফেলতে পারে। ছবি: ফাইল

সময় কথা বলে: মনসুর

যেখানে সিদ্ধান্ত হবে সেখানে তো আমার নিজেরও একটি ভূমিকা থাকবে।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৫ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৫
প্রকাশিত: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৫ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৫


গণফোরামের দু’জন শপথ নিলে, সেটা জোটকে সংকটে ফেলতে পারে। ছবি: ফাইল

(প্রিয়.কম) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর গণফোরাম থেকে মনোনয়ন নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে ভোট করে নির্বাচিত হন। শপথ গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে সুলতান মনসুর বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ‘সময়ই কথা বলে। সময় হলেই দেখতে পারবেন।’

অথচ ৩১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘এটা তো স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে যে, তারা শপথ গ্রহণ করবেন না।’

যদিও গতকাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না ডাকসুর সাবেক এই নেতা। অপরদিকে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত আরেক সদস্য হলেন মোকাব্বির খান। তিনি গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য। মোকাব্বির খান ফ্রন্টের ব্যানারে উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন।

শপথ গ্রহণের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত নেতিবাচক হলে আপনি কী করবেন প্রশ্নের জবাবে মোকাব্বির খান বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে সংসদে যাবো না। তবে শেষ কথা হলো, আমি গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য। সুতরাং যেখানে সিদ্ধান্ত হবে সেখানে তো আমার নিজেরও একটি ভূমিকা থাকবে!’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গণফোরামের সিদ্ধান্ত যেটাই হোক, দলের নির্বাচিত দু’জন এমপির একজন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ সংসদে যোগ দেওয়ার অবস্থানে অনড় রয়েছেন। তবে মোকাব্বির খান বলছেন, তিনি দলের অনুরোধে এই মুহূর্তে সংসদে যাবেন না। তবে দলীয় ফোরামে তিনি সংসদে যোগ দেবার পক্ষে তার বক্তব্য তুলে ধরবেন।

বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, জোটগতভাবে নির্বাচন করার পর ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করা হয়েছে। আর সেকারণেই এই সংসদে তাদের নির্বাচিতদের যোগ না দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত তারা নিয়েছেন। সেখানে জোটের শরিক গণফোরামের দু’জন শপথ নিলে, সেটা জোটকে সংকটে ফেলতে পারে।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন হয়। এতে ২৫৭টি আসনে জয় পায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২টি আসন। জোটগতভাবে তারা পেয়েছে ২৮৮টি আসন। অন্যদিকে বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা সব মিলিয়ে মাত্র আটটি আসন পেয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

জেলার যখন নিজেই জেলে...

প্রিয় ৮ ঘণ্টা, ১৭ মিনিট আগে

loading ...