৬৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ার পথে ক্রিস গেইল ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। ছবি: প্রিয়.কম

নিয়ম রক্ষার ম্যাচ দিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রংপুর

নিরুত্তাপ ম্যাচে দাপুটে জয় দিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৩ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:৪৬
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৩ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:৪৬


৬৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ার পথে ক্রিস গেইল ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) শেষ চারের টিকেট আগেই নিশ্চিত করেছে দুই দল। দুই দলের জন্যই গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ছিল স্রেফ নিয়ম রক্ষার। এই ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে রংপুর রাইডার্স। নিয়ম রক্ষার ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। নিরুত্তাপ এই ম্যাচে দাপুটে জয় দিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১৬.৩ ওভারে স্কোরকার্ডে মাত্র ৭২ রান যোগ করতেই গুটিয়ে যায় কুমিল্লা। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও ক্ষেপাটে স্টাইলে ব্যাট চালান ক্রিস গেইলএবি ডি ভিলিয়ার্স। তাদের ব্যাটে চড়ে ৬৩ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রংপুর।

৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। স্কোরকার্ডে ৯ রান যোগ করতেই ওপেনার মেহেদী মারুফকে হারায় তারা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে রংপুরের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন সানজিৎ সাহা

লক্ষ্য ছোট হলেও তেড়েফুঁড়ে ব্যাট চালিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স ও গেইল। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৬৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। এই জুটিতেই ৯ উইকেট ও ৬৩ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ৩০ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন গেইল। এ ছাড়া ২২ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন ভিলিয়ার্স।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় কুমিল্লা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার তামিম ইকবালকে সাজঘরে পাঠান স্পিনার নাহিদুল ইসলাম। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এনামুল হক বিজয়কেও সাজঘর দেখান রংপুরের এই অফ স্পিনার। পরের ওভারে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার শিকারে পরিণত হন ইমরুল কায়েস

কুমিল্লার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রানের দেখা পেয়েছেন একমাত্র শামসুর রহমান। তাকেও বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে দেননি শহিদুল ইসলাম। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আউট হওয়ার আগে ১১ বলে ২টি চারে ১২ রান করেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ক্রিজে এসে থিতু হওয়ার আগেই মাশরাফির দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন থিসারা পেরেরা

স্কোরকার্ডে ২৩ রান যোগ হতেই নেই কুমিল্লার ৫ উইকেট। তবে ষষ্ঠ উইকেটে ৩৩ রানের জুটি গড়ে দলের এই বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেন লিয়াম ডসন ও জিয়াউর রহমান। জিয়াউরকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রবি বোপারা। এরপর ডসনকে ফিরিয়ে কুমিল্লার লড়াকু সংগ্রহের স্বপ্ন ভেস্তে দেন ডানহাতি এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।

২৫ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় জিয়াউর রহমানের ব্যাট থেকে আসে ২১ রান। কুমিল্লার ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এ ছাড়া ২৪ বলে ২টি চারে ১৮ রান করেন ডসন। মিডল অর্ডারে জিয়াউর-ডসন মিলে কিছুটা হাল ধরলেও লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১০০ রানের আগেই থামে কুমিল্লার ইনিংস।

রংপুরের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ম্যাচসেরা রবি বোপারা। এছাড়া মাশরাফি বিন মুর্তজা ও নাহিদুল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম ও অভিষিক্ত মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি।

প্রিয় খেলা/শান্ত মাহমুদ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...