নাহিদ সুলতানা যুঁথি। ছবি: প্রিয়.কম

রুলা’র সভাপতি নির্বাচিত হলেন নাহিদ সুলতানা যুঁথি

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ল’ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুলা) ২০১৯-২০ সেশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুঁথি।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৩:১২ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৩:১২
প্রকাশিত: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৩:১২ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৩:১২


নাহিদ সুলতানা যুঁথি। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ল’ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুলা) ২০১৯-২০ সেশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুঁথি।

৮ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলানায়তনে বার্ষিক সম্মেলন শেষে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে নাহিদ সুলতানা যুঁথি, সাধারণ সম্পাদক পদে আশরাফ আলী সুজন নির্বাচিত হন।

নবনির্বাচিত সভাপতি নাহিদ সুলতানা যুঁথি প্রিয়.কমকে বলেন, ‘আমাদের এই সংগঠনটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনকারীদের নিয়ে গঠিত। সারা দেশেই এ সংগঠনের কাজ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে আমাদের সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি কাজ করে। বাকিরা দেশের অন্যান্য জায়গায় কাজ করে থাকেন। পারস্পরিক সহযোগিতা ও একে অপরের পাশে দাঁড়াতেই আমাদের সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে। সভাপতি-সেক্রেটারি ছাড়াও আরও পাঁচজন বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন।’ 

সম্মেলনটি উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। সকাল ১০টায় সম্মেলন শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল ৪টায়। সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এক বছরের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন রাজশাহী ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনকারী এই আইনজীবী।

নির্বাচন ও সম্মেলনের বিষয়টি প্রিয়.কমকে জানান সংগঠনটির সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌসী রুপা।

তিনি বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন, তাদের সংগঠনের নাম রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুলা)। প্রতি বছর আমাদের এই সংগঠনের বার্ষিক সম্মেলন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সদস্যরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এক বছরের জন্য নেতা নির্বাচন করেন। সেই নির্বাচন আজকে অনুষ্ঠিত হলো।’

নির্বাচনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সাত জন নির্বাচিত হন। নতুন করে আরও সাত জনকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর গঠন করা হয় ৩৩ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এই কমিটি সংগঠনের সব সদস্যকে নিয়ে কাজ করেন। 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...