এগিয়ে গেলেও গার্দিওলার সঙ্গে হাত মেলাননি চেলসির কোচ। ছবি: সংগৃহীত

গার্দিওলাকে অপমান করে মাঠ ছাড়লেন চেলসির কোচ

মাঠে বিধ্বস্ত হয়েছে মরিজিওর দল। সেটার প্রতিশোধ নিতেই যেন গার্দিওলাকে এভাবে অপমান করলেন চেলসি বস।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫০ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫০
প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫০ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫০


এগিয়ে গেলেও গার্দিওলার সঙ্গে হাত মেলাননি চেলসির কোচ। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) একটি-দুটি নয়, গুনেগুনে ৬টি গোল জড়িয়েছে জালে। জবাবে একটিও ফেরত দিতে পারেনি শিষ্যরা। মেজাজটা চরমে ওঠাই স্বাভাবিক। ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ৬-০ ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর সেটাই হয়েছে চেলসির কোচ মরিজিও সারির। মাঠে শিষ্যদের তেমন কিছু না বললেও প্রতিপক্ষ কোচের ওপর ঠিকই রাগ ঝারলেন ইতালিয়ান এই কোচ।

ম্যাচের পর ম্যানসিটির কোচ পেপ গার্দিওলার সঙ্গে হাত না মিলিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। হাত না মেলানো হতে পারত স্বাভাবিক ঘটনাই। কিন্তু গার্দিওলা এগিয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি স্বাভাবিক থাকেনি। ম্যাচ শেষে করমর্দনের জন্য মরিজিওর দিকে এগিয়ে যান গার্দিওলা, বাড়িয়ে দেন হাত। কিন্তু গার্দিওয়লাকে হাত বাড়ানো অবস্থায় দেখেও পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যান চেলসির কোচ।

মাঠে বিধ্বস্ত হয়েছে মরিজিওর দল। সেটার প্রতিশোধ নিতেই যেন গার্দিওলাকে এভাবে অপমান করলেন চেলসি বস। এমন ব্যবহার ভালোভাবে নিতে পারেননি বার্সেলোনার সাবেক কোচ গার্দিওলা। ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত থাকা চেলসির সহকারী কোচ জিয়ানফ্রাঙ্কো জোলার কাছে এ বিষয়ে তখনই জানতে চান তিনি।

চেলসির সহকারী কোচ গার্দিওলাকে জানান, মরিজিও তাকে দেখেননি। গার্দিওলা নিশ্চয়ই জোলার কথায় সন্তুষ্ট হননি। কারণ ম্যাচ শেষে কোচদের করমর্দন করার দৃশ্য অতি পরিচিত একটা ব্যাপার, অনেকাংশে নিয়মের মতোও। সব কোচই এটা ভালো করে জানেন। সেখানে গার্দিওলা এগিয়ে যাওয়ার পরও মরিজিও ব্যাপারটি ভুলে গেলেন, বিষয়টি অবাক করার মতোই!   

মরিজিও সম্পর্কে খুবই ইতিবাচক দেখা গেছে গার্দিওলাকে। ইতালিয়ান এই কোচ যখন চেলসির দায়িত্ব নেন, গার্দিওলা বলেছিলেন, ‘সারি যে বিশ্বসেরা একজন কোচ, তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই। নাপোলির হয়ে সে দারুণ কিছু অর্জন করেছে। সে থাকা অবস্থায় নাপোলির ম্যাচ দেখতে ভালো লাগত। ইংল্যান্ডে তার সঙ্গে সাক্ষাত হওয়াটা দারুণ ব্যাপার হবে।’ যদিও সাক্ষাতটি দারুণের পর্যায়ে থাকেনি!  

২৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজেভাবে হার মানা চেলসি ম্যাচের ২৫ মিনিটের মধ্যেই ৪ গোল হজম করে। হ্যাটট্রিক করা সিটির আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সার্জিও আগুয়েরো ২৫ মিনিটের মধ্যেই দুবার চেলসির জালে বল পাঠান। ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। সিটির হয়ে বাকি ৩টি গোলের মধ্যে রহিম স্টার্লিং ২টি ও একটি গোল দেন ইলকে গানদোগান।

২৭ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ম্যানসিটি। যদিও তাদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে লিভারপুল। ম্যানসিটির চেয়ে এক ম্যাচ কম (২৬ ম্যাচ) খেলেই ৬৫ পয়েন্ট ঝুলিতে পুরেছে দ্য রেডসরা। পরের ম্যাচ জিতলেই সিটিকে টপকে যাবে তারা। অন্যদিকে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে ৬ নম্বরে থাকা চেলসির চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ভাগ্য অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে।  

প্রিয় খেলা/শান্ত মাহমুদ