এখন বাংলাদেশেই হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ। ছবি: ফাইল

ফেব্রুয়ারির অপেক্ষায় থাকেন ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীরা

দরজার কড়া নাড়ছে বসন্ত, ফাগুনকে আমন্ত্রণ জানাতে-না-জানাতেই হাজির ভালোবাসা দিবস।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৭ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৭
প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৭ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৭


এখন বাংলাদেশেই হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ। ছবি: ফাইল

(প্রিয়.কম) বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে ফেব্রুয়ারি মাস এলেই ফুলের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। যশোর, ঝিনাইদহ ও সাভারে গোলাপ, গ্লাডিওলাস, গাঁদাসহ হরেকরকম ফুল বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়ে থাকে। আর বছরের এই সময়ের ফুল বিক্রির উপরই সারা বছরের লাভ-লোকসানের হিসাব কষেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশ ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীরা ভালো লাভের আশায় ফেব্রুয়ারির অপেক্ষায় থাকেন।

দরজার কড়া নাড়ছে বসন্ত, ফাগুনকে আমন্ত্রণ জানাতে-না-জানাতেই হাজির ভালোবাসা দিবস। এর কয়েকদিন পরই রয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পরপর এই তিনটি আয়োজনেই থাকে ফুলের ব্যাপক চাহিদা।

এ ছাড়াও বিয়ের গাড়ি ও বাড়ি সাজাতে, গুণীজনদের বরণ করে নিতে, জন্মদিনের অনুষ্ঠানে, পূজা-পার্বণে, গায়ে হলুদে, বিভিন্ন দিবসে, সভা-সমিতি ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ফুলের ব্যবহার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। বর্তমানে চাহিদার আলোকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফুল চাষ করে লাভবান হওয়া খুবই সহজসাধ্য ব্যাপার।

গোলাপ, গাঁদা, চামেলী, বেলি, জুঁই, শেফালি, রজনীগন্ধা, গন্ধরাজ, গ্লাডিওলাস, দোপাট্টি, হাসনা-হেনা, চন্দ্রমলি্লকা, ডালিয়া, রঙ্গন, দোলনচাঁপা, কনকচাঁপা, অপরাজিতা, মৌ-চণ্ডাল, টগর, মর্নিংরোজ, জবা, কসমস, মালতি, কামিনীসহ বিভিন্ন ফুল বাংলাদেশে হয়ে থাকে। তবে সবগুলোই চাষ করা হয় না। বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়ে থাকে গোলাপ, রজনীগন্ধা, গাঁদা, রঙ্গন, গ্লাডিওলাস। খুলনা ও যশোরসহ কয়েকটি অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে এসব চাষ হচ্ছে।

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক জিএম আবদুর রউফ বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও প্রচুর পরিমাণে ফুল রপ্তানি করা সম্ভব।