আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। ফাইল ছবি

উন্নত এবং সমৃদ্ধ জাতি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংকট ও জরুরি মুহূর্তে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:২০ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:২১
প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:২০ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:২১


আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) বাঙালি জাতিকে বিশ্বের বুকে উন্নত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও তথা বাঙালি জাতিকে বিশ্বের বুকে উন্নত এবং সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’

১২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) ৩৯তম জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এর আগে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ শেষে বীরত্বপূর্ণ ও সেবামূলকসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় সংকট ও জরুরি মুহূর্তে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমাদের আনসার বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যথেষ্ঠ পারদর্শিতা দেখাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশে-বিদেশে অনেক সুনাম অর্জন করে আসছে এজন্য তাদেরকে আমার অভিনন্দন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংকটকালে ও জরুরি মুহূর্তে আপনারা সফলতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। প্রতিবছর দেশের জাতীয়, সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ বাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। ’

স্বাধীনতা যুদ্ধে আনসার বাহিনীর ত্যাগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে আনসার বাহিনীর ৬৭০ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন। তাদের সেই দেখানো পথে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদসহ যেকোনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

২০১৪ সালের আগে ও পরে অগ্নিসন্ত্রাস রোধ এবং সম্পদ রক্ষায় আনসার সদস্যরা যে দায়িত্ব পালন করেছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি একাদশ সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের সময় পাঁচ আনসার সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে ওই পাঁচ আনসার সদস্যকে সাহসিকতার জন্য মরণোত্তর পদক প্রদান করা হয়।

দেশ রক্ষায় আনসার সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাদের ঝুঁকি ভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কথাও জানান।

প্রসঙ্গত, ১৯৮০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আনসার বাহিনী গঠন করা হয়। এর পর থেকে প্রতি বছর এই দিনে বাহিনীর জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ