‘পোড়াদহ’ মেলায় তোলা হয় ৮০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। ছবি সংগৃহীত

দুটি বাঘাইড় মাছের মূল্যে দুই লাখ টাকা!

বগুড়ায় দীর্ঘ ৪০০ বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা এই মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল বাঘাইড় মাছ দুটি।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৫১ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৫১
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৫১ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৫১


‘পোড়াদহ’ মেলায় তোলা হয় ৮০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। ছবি সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বগুড়ার গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী ‘পোড়াদহ’ মেলায় এবার সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দুটি প্রমাণ সাইজের বাঘাইড় মাছ। মাছ দুটির ওজন ৮০ ও ৭০ কেজি। আর দাম হাঁকা হয়েছে দুই লাখ টাকা। ৪০০ বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল বাঘাইড় মাছ দুটি। 

প্রতি বছর মাঘ মাসের শেষ অথবা ফাল্গুনের প্রথম বুধবারে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই ‘পোড়াদহ’ মেলা। গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের গোলাবাড়ি বন্দর এলাকায় গাড়িদহ নদীতীরে ‘সন্ন্যাসী পূজা’ উপলক্ষে এক দিনের ‘পোড়াদহ’ মেলা বসে। প্রায় ৪০০ বছর ধরে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে স্থানীয়রা মিলে এই মেলার আয়োজন করে আসছেন।

সিরাজগঞ্জ থেকে আসা মাছ ব্যবসায়ী আবদুস সামাদ ৮০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছটি মেলায় নিয়ে আসেন। মাছটির দাম এক লাখ ২০ হাজার টাকা হাঁকা হয়েছে। পরে প্রতি কেজি এক হাজার দুইশ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। সেই মাছ দেখতে ভিড় জমান মেলা ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা।

এ ছাড়াও মেলায় আরেকটি ৭০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ তোলা হয়েছিল। মাছটি মেলায় নিয়ে আসেন গাবতলী উপজেলার গোলাবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামের মো. বিপুল।

মাছ ব্যবসায়ী বিপুল জানান, প্রতি বছর তিনি বড় মাছ আমদানির চেষ্টা করেন। ৭০ কেজি ওজনের এই বাঘাইড় মাছটি তিনি যমুনা নদীর মাঝিদের কাছ থেকে কিনেছেন বলে জানান। তবে স্থানীয়রা জানান, মাছটি তিনি বগুড়ার চাষী বাজার থেকে সংগ্রহ করেছেন। মাছটির বিক্রয় মূল্য প্রথমে প্রতি কেজি এক হাজার সাতশ টাকা দাবি করা হলেও পরে তা প্রতি কেজি দেড় হাজার টাকা ধার্য করা হয়। এতে করে মাছটির মূল্য দাঁড়ায় এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। এককভাবে এই মাছ কেনা সম্ভব ছিল না কারো পক্ষেই। তাই ক্রেতারা কেজি দরে এই মাছ কিনতে রাজি হন।

একাধিক মাছ ব্যবসায়ী জানান, মেলায় এবার বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের আমদানি ঘটেছে। এর মধ্যে যমুনার মাছসহ বিভিন্ন জলাশয়ে চাষের মাছ রয়েছে। তবে সবার নজর বড় মাছের দিকে থাকলেও মাঝারি ওজনের মাছের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...