ধুতি ও কুর্তা পরেই ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নেন সংস্কৃত বিদ্যালয়ের ছাত্ররা। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটাররা খেললেন ধুতি পরে, ধারাভাষ্য হলো সংস্কৃতে

যে কারো মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, এটা আদৌ ক্রিকেট ম্যাচ নাকি অন্য কিছু?

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৩২ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৩২
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৩২ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৩২


ধুতি ও কুর্তা পরেই ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নেন সংস্কৃত বিদ্যালয়ের ছাত্ররা। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) খেলা চলছে তার স্বাভাবিক নিয়মে। ব্যাটসম্যান চার কিংবা ছক্কা হাঁকালেই হাততালি ও চিৎকারে রীতিমতো কেঁপে উঠছে মাঠ ও তৎসংলগ্ন এলাকা। কিন্তু খেলোয়াড়দের পোশাক দেখলে কিংবা ধারাভাষ্য শুনলেই আপনি হয়তো দ্বিধায় পড়ে যাবেন।

যে কারো মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, এটা আদৌ ক্রিকেট ম্যাচ নাকি অন্য কিছু? কারণ দুই দলের খেলোয়াড়দের প্রত্যেকের পরনে ছিল ধুতি ও কুর্তা। এমনকি ম্যাচের ধারাভাষ্যও চলছে সংস্কৃত ভাষায়!

মঙ্গলবার এমনই একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দেখল বেনারস। উত্তর প্রদেশের বারানসিতে সম্পূর্ণানন্দ সংস্কৃত বিদ্যালয়ের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করা হয়েছিল। ১০ ওভারের এই টুর্নামেন্টে অংশ নেন শহরের বিভিন্ন সংস্কৃত মাধ্যম বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তবে নিজেদের আচার-কায়দার সঙ্গে ক্রিকেটকে মিশিয়ে ফেলেন তারা।

এমন অভিনব উদ্যোগের কারণ মূলত ভারতীয় ঐতিহ্য বজায় রাখা। তাতে ক্রিকেট যেমন খেলা হলো, তেমনি সংস্কৃত বিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন ও ঐতিহ্যও উপেক্ষিত হয়নি। দুটোকে বজায় রেখে চলেছে প্রতিটি ক্রিকেট ম্যাচ।

সম্পূর্ণানন্দ সংস্কৃত বিদ্যালয় আয়োজিত টুর্নামেন্টে অংশ নেন পাঁচটি স্কুলের ছাত্ররা। মাথায় তিলক কেটে খালি পায়ে মাঠে নামেন তারা। এমনকি আম্পায়ার ও ধারাভাষ্যকাররাও ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক পরে মাঠে নামেন। কেবল তা-ই নয়, ছাত্রদের ব্যাটিং-বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের বর্ণনাও চলে সংস্কৃত ভাষায়।

পাঁচ স্কুলের এমন অভিনব ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি দেখার জন্য ঢল নেমেছিল স্থানীয় মানুষের। খেলার চেয়ে তাদের বেশি উৎসাহ ছিল মূলত ধুতি পরা ক্রিকেটারদের দেখার জন্য। দর্শকের বেশির ভাগই এদিন সম্পূর্ণানন্দ সংস্কৃত বিদ্যালয়ের এমন অভিনব উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

প্রিয় খেলা/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...