সমকামী দুই নারী ফুটবলার বেচম্যান ও লেম্যান। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমিকার সাফল্যে মন খারাপ এই নারী ফুটবলারের

আলিশা লেম্যান ও রামোনা বেচম্যান, দুই পেশাদার নারী ফুটবলার। দুজনের বাড়িই সুইজারল্যান্ডে। দুজনের পছন্দও এক। তাই একে অপরের ভালোবাসার ডাকে সাড়া দিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছেন এই দুই সমকামী ফুটবলার।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৫৯ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:০২
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৫৯ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:০২


সমকামী দুই নারী ফুটবলার বেচম্যান ও লেম্যান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) আলিশা লেম্যান ও রামোনা বেচম্যান, দুই পেশাদার নারী ফুটবলার। এই দুই স্ট্রাইকারের বাড়ি সুইজারল্যান্ডে। দুজনের পছন্দও এক। যে কারণে একে অপরের ভালোবাসার ডাকে সাড়া দিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছেন এই দুই সমকামী ফুটবলার। প্রায় সবখানেই দুজনকে একসঙ্গে পাওয়া যায়।

এতকিছুর পরও প্রেমিকা বেচম্যানের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হবেন বলে জানিয়েছেন লেম্যান। যাকে দেখে ফুটবলে আসা, পরবর্তীতে জীবনসঙ্গীও হয়ে উঠেছেন; সেই বেচম্যানের সাফল্যই তাকে নাকি খারাপ অনুভূতি দেবে।

ইংল্যান্ডে এক ছাদের নিচে বাস করলেও পেশাগত জায়গায় তারা প্রতিপক্ষ। শুধু প্রতিপক্ষই নয়, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীও। ওয়েস্টহ্যামের হয়ে খেলেন ২০ বছর বয়সী লেম্যান। তার চেয়ে ৮ বছরের বড় বেচম্যান (২৮) খেলেন চেলসির হয়ে।

প্রতি মৌসুমে অন্তত দুবার একে অপরের মুখোমুখি হন এই দুই নারী ফুদটবলার। এই দুই ম্যাচে চিরশত্রু হয়ে মাঠে নামতে হয় দুজনকে। এই ব্যাপারটিই কি তাহলে প্রতিহিংসাপরায়ন কুরে তুলেছে লেম্যানকে?

উইমেন্স সুপার লিগের চলতি মৌসুমেও দেখা হবে তাদের। আগামী ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবে তাদের দল। আর সেই লড়াইয়ে বেচম্যান গোল দিলে সেটা ভালো লাগবে না লেম্যানের কাছে। সঙ্গীর গোলসাফল্য নাকি লেম্যানকে অস্বস্তিতে ফেলে দেবে। ব্রিটেন্স ইয়ংগেস্ট ফুটবল বস নামের বিসিবি থ্রি ডকুমেন্টরিতে এমনই বলেছেন লেম্যান।

বেচম্যানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে নামার আগের অবস্থা নিয়ে সিরিজ ডকুমেন্টরির তৃতীয় পর্বে লেম্যান বলেন, ‘সে সত্যিই দারুণ খেলোয়াড়। সে খুবই কৌশলী এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন। আমি কিছুটা ভীত তবে ভালো একটি ম্যাচ হবে বলে মনে হয়। তবে সে যদি গোল দেয়, সেটা আমার কাছে খুবই খারাপ লাগবে।’

বয়সে বড় বেচম্যান অবশ্য তার সঙ্গীকে নিয়ে অন্যভাবে ভাবেন। ৪৩টি আন্তর্জাতিক গোলের মালিক বেচম্যান বলেছেন, ‘একই পেশার দুজন একসঙ্গে থাকলে সেখানে অনেক ইতিবাচক ব্যাপার থাকে। ম্যাচ থাকায় আমি ছুটিতে যাচ্ছি না। সে জানে আমি কেমন সময় পার করছি। একইভাবে তার অবস্থাও বুঝতে পারি আমি।’

গত বছরের নভেম্বরে মুখোমুখি হয়েছিল ওয়েস্টহ্যাম ও চেলসি। ম্যাচটি খেলেছেন দুজনই। ওই ম্যাচে লেম্যানের ওয়েস্টহ্যামকে ২-০ গোলে হারিয়ে দেয় বেচম্যানের দল চেলসি। দুর্ভাগ্যবসত দুটি গোলই দেন লেম্যানের প্রেমিকা বেচম্যান। এ কারণেই হয়তো এবার আগে থেকেই নিজের অস্বস্তির কথা জানিয়ে রাখলেন ৩টি আন্তর্জাতিক গোলের মালিক লেম্যান।       

প্রিয় খেলা/শান্ত মাহমুদ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...