ওয়ালিদ আশরাফকে অনশন থেকে উঠিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম। ফাইল ছবি

ডাকসু নির্বাচন: বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বাধার মুখে ওয়ালিদের অনশন

ওয়ালিদ আশরাফ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনসংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে অনশনে বসেন।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৯ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৯
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৯ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৯


ওয়ালিদ আশরাফকে অনশন থেকে উঠিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের আসন্ন নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে করাসহ চার দফা দাবিতে অনশনে বসা ওয়ালিদ আশরাফকে উঠিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম।

১৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের কয়েকজন সদস্য উপাচার্যের বাসভবনের পাশে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে অনশনে বসা ওয়ালিদের কাছে যান। তারা সেখান থেকে ওয়ালিদকে চলে যেতে বলেন। প্রক্টরিয়াল টিমের নির্দেশের পর সেখান থেকে চলে যান ওয়ালিদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ছাত্র ওয়ালিদ আশরাফ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন সংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে অনশনে বসেন ওয়ালিদ। 

প্রসঙ্গত, ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে একই জায়গায় এর আগে দুই দফায় অনশনে বসেছিলেন ওয়ালিদ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওয়ালিদ সেখান থেকে যেতে চাননি, তাকে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। প্রক্টরিয়াল টিমের পক্ষ থেকে ‘নিরাপত্তাজনিত’ কারণ দেখিয়ে রাতে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ওয়ালিদ অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম তার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে। তাকে বলা হয়েছে, রাতের বেলায় ক্যাম্পাসে থাকা যাবে না। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে তার যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করার গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করা হয়েছে। তার দাবি ডাকসু নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র আবাসিক হলগুলোয় করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে গিয়ে ‘চরম অস্বস্তি’তে পড়বেন। এতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও অর্থবহ হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থেই তাকে চলে যেতে বলা হয়েছে। তার যদি কোনো আপত্তি বা নির্দেশনা থাকে, সে আমাদের লিখিতভাবে জানাতে পারে। ডাকসু নির্বাচনের প্রক্রিয়া ভালোভাবেই চলছে।’

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


loading ...