বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। ফাইল ছবি

বিকেল ৫টার মধ্যে বিশ্ব ইজতেমাস্থল খালি করার নির্দেশ

মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের অনুসারীরা বয়ান এবং ইজতেমার অভ্যন্তরে প্রতিপক্ষ গ্রুপকে কটাক্ষ বা উসকানিমূলক কোনো কথা বলেননি।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৬ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৬
প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৬ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৬


বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে চলা ৫৪তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এ জন্য প্রথম পর্বের অনুসারীদের ইজতেমা ময়দান খালি করতে ৬ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন। অর্থাৎ বিকেল ৫টার মধ্যেই ইজতেমা ময়দান খালি করতে হবে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১-এর সিও (কমান্ডিং অফিসার) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম।

সারওয়ার বিন কাশেম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তাবলীগের দুই পক্ষকে আমরা আগেই নির্দেশনা দিয়েছিলাম যাতে কোনো পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করে বক্তব্য না দেন। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে নিয়ে যাতে কটাক্ষ না করেন। সেই অনুযায়ী মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের অনুসারীরা বয়ান এবং ইজতেমার অভ্যন্তরে প্রতিপক্ষ গ্রুপকে কটাক্ষ বা উসকানিমূলক কোনো কথা বলেননি। আশা করছি পরে যারা ইজতেমা পরিচালনা করবেন তারাও নির্দেশনাগুলো মেনেই ইজতেমা শেষ করবেন।’

এদিকে  প্রথম পর্বের ইজতেমা পরিচালনা করেছেন মাওলানা জোবায়েরপন্থি অনুসারীরা। ইজতেমা শেষে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা জোবায়ের ইসলাম। তারা ইজতেমা ময়দান খালি করলে সাদপন্থিরা দ্বিতীয় পর্ব পরিচালনা করবেন। যতক্ষণ ময়দান খালি হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্বের জন্য কাউকে প্রবেশ বা পরিচালনা কোনোটাই করতে দেওয়া হবে না। পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদারকি করছে। কেবল ময়দান খালি থাকাসাপেক্ষে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিদর্শন শেষে দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেওয়া হবে। এ জন্য ময়দান খালি করতে সর্বোচ্চ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তাবলীগ জামায়াতের অভ্যন্তরীণ সমস্যার জন্য ইজতেমা দুই পর্বে ভাগ করা হয়েছে।মূলত কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি হতে না পারে সে জন্য আলাদা আলাদা আখেরি মোনাজাতের ব্যবস্থাও করা হয়। অথচ প্রথম দিকে ইজতেমা তিন দিন এবং আখেরি মোনাজাত একটাই হওয়ার কথা ছিল। দুই পক্ষের আবেদনের কারণেই ইজতেমা বাড়িয়ে চার দিন এবং আখেরি মোনাজাত দুটো করা হয়। উভয় গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের মুরব্বিরাও একে অপরকে সুযোগ দেওয়া এবং সহযোগিতা করার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা প্রশাসনের কাছে রয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...