লম্বা সফরে মহাকাশচারীদের মেজাজ ভালো রাখা জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গল গ্রহে কেন ‘কমেডিয়ান’ পাঠাবে নাসা?

মহাকাশচারীদের স্ট্রেস কমাতে তাদের সাথে দেওয়া হবে একজন ‘কমেডিয়ান’।

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৪৪ আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৪৪
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৪৪ আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৪৪


লম্বা সফরে মহাকাশচারীদের মেজাজ ভালো রাখা জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) মঙ্গল গ্রহে মহাকাশচারী পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে অনেক বছর থেকেই। ইতোমধ্যেই আমরা জেনেছি, এই যাত্রা মোটেই সহজ হবে না। মহাকাশযানে করে পাড়ি দিতে হবে মোটামুটি ৮৭.২ মিলিয়ন মাইল। শুধু তা-ই নয়, মহাকাশে প্রচুর পরিমাণে রেডিয়েশন সহ্য করতে হবে মহাকাশচারীদের। তাদের হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া থেকে শুরু করে মঙ্গলে ক্র্যাশ করা পর্যন্ত অনেক বিপদ হতে পারে।

বিপদ এখানেই শেষ নয়। মঙ্গলে যেতে আট মাসের মতো লাগতে পারে। ফিরতে লাগবে আরও আট মাস। এ সময়ে তারা পৃথিবী থেকে এমন দূরে থাকবে, যত দূরে আর কোনো মানুষ যায়নি। পৃথিবীর সাথে যেকোনো রকমের যোগাযোগ করতে ২০ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

নাসার গবেষণায় দেখা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে থাকা মহাকাশচারীর সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগে মাত্রা ৫০ সেকেন্ড দেরি হলেও তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তাহলে ২০ মিনিট কেমন প্রভাব ফেলতে পারে তা বলাই বাহুল্য।

ছোট একটি জায়গায় আটকা থাকবেন মহাকাশচারীরা, পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগও হবে খুবই কম। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও তারা ভুগবেন চরম একাকিত্বে। যারা বিরক্ত, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বেন ও বাড়ির কথা ভাবতে থাকবেন, তাদের পক্ষে বড় কোনো ভুল করে ফেলা অসম্ভব নয়। এ কারণে তাদের মেজাজ ভালো করতে কোনো একটা ব্যবস্থা নিতেই হবে।

নাসার একজন উপদেষ্টা, প্রফেসর জেফ্রি জনসন মনে করেন, মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে হলে তাদের সঙ্গে একজন ‘কমেডিয়ান’ পাঠানো খুবই জরুরি। তার মতে, একদল মানুষের মন ভালো রাখা, তাদের মাঝে সংঘর্ষ কমানো ও মেজাজ ফুরফুরে রাখতে রসিক স্বভাবের একজন মানুষের প্রয়োজন আছে। এতে পুরো অভিযানটাই ভালো যাবে।

সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

প্রিয় লাইফ/আজাদ চৌধুরী