প্রতীকী ছবি

১৪ শর্তে অ্যাপভিত্তিক সেবা দিতে পারবে আইপিটিএসপি লাইসেন্সধারীরা

আইপিটিএসপিগুলোর এ সেবার মাধ্যমে অ্যাপ ছাড়াও যেকোনো সেলফোন বা ফিক্সড ফোনে প্রতি মিনিট ৩০-৪০ পয়সায় কল করার সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা।

রাকিবুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২ মার্চ ২০১৯, ১৭:০৯ আপডেট: ০২ মার্চ ২০১৯, ১৭:১০
প্রকাশিত: ০২ মার্চ ২০১৯, ১৭:০৯ আপডেট: ০২ মার্চ ২০১৯, ১৭:১০


প্রতীকী ছবি

(প্রিয়.কম) দেশব্যাপী লাইসেন্সভুক্ত ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিফোন সার্ভিস প্রোভাইডারদের (আইপিটিএসপি) অ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল সেবাদানের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর জন্য আইপিটিএসপি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানকে মানতে হবে ১৪টি শর্ত।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিটিআরসির কমিশন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে খবর প্রকাশ করেছে ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ

সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, দেশীয় উদ্যোক্তাদের এই সেবাদানের অনুমতি না দিলে বাইরের দেশের অ্যাপগুলো দেশের বাজার আধিপত্য বিস্তার করবে। আর অনুমতি দিলে অ্যাপভিত্তিক কল করার সেবা গ্রহণকারী গ্রাহকের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

তারা জানান, আইপিটিএসপিগুলোর এ সেবার মাধ্যমে অ্যাপ ছাড়াও যেকোনো সেলফোন বা ফিক্সড ফোনে প্রতি মিনিট ৩০-৪০ পয়সায় কল করার সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা। ফলে বিটিআরসির এমন সিদ্ধান্তে গ্রাহকরা কম টাকায় কথা বলতে পারবেন, তেমনি বাইরের অ্যাপের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ৪১টি প্রতিষ্ঠানের আইপিটিএসপি লাইসেন্স রয়েছে। এর মধ্যে দেশব্যাপী সেবাদানের লাইসেন্স রয়েছে ৩৩ প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে অ্যাপের ভয়েস কল সেবাদানের অনুমোদন দিয়েছে বিটিআরসি। গত বছরের ডিসেম্বরে বিডিকম অনলাইন লিমিটেড, আম্বার আইটি লিমিটেড, মেট্রোনেট বাংলাদেশ ও লিংক থ্রি টেকনোলজিস এবং চলতি মাসে আইসিসি কমিউনিকেশনস লিমিটেড অনুমোদন পায়।

আইপিটিএসপি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আম্বার আইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল হাকিম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এর মাধ্যমে বিদ্যমান স্মার্টফোনের মাধ্যমেই আইপিটিএসপির সেবা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি তুলনামূলক স্বল্প ব্যয়ে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা।’

অ্যাপের মাধ্যমে কলিং সেবা চালুর জন্য আইপিটিএসপি লাইসেন্সধারীদের ১৪টি শর্ত দিয়েছে কমিশন।

শর্ত অনুযায়ী, লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ৫ কোটি টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া রাজস্ব ফাঁকি দিতে অ্যাপগুলোর যাতে অপব্যবহার না করা হয়, সে নিশ্চয়তাও দিতে হবে অপারেটরগুলোকে। আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন আইজিডব্লিউ কিংবা আইসিএক্স অপারেটরের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। আর যেকোনো মূল্য সংযোজিত সেবা (ভ্যাস) চালুর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিতে হবে।

প্রিয় প্রযুক্তি/রিমন