‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চেপ্টার ওয়ান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

দুই বছরের মধ্যে এক হাজারের বেশি স্টার্টআপ চালু করা হবে: পলক

পলক বলেন, ‘তরুণরা চাকরি খুঁজবে না, চাকরি দেবে। আমরা তরুণদের হাতে এক দিনের খাবার তুলে দিতে চাই না।’

রাকিবুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০১৯, ১৬:২৫ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০১৯, ১৬:২৫
প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০১৯, ১৬:২৫ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০১৯, ১৬:২৫


‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চেপ্টার ওয়ান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) আগামী দুই বছর বা ২০২১ সালের মধ্যে দেশে এক হাজারের বেশি স্টার্টআপ চালু করা হবে। আর এটি বাস্তবায়নে কাজ করবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আইডিয়া প্রকল্প।

৮ মার্চ, শুক্রবার আইসিটি টাওয়ারে আয়োজিত ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চেপ্টার ওয়ান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আইডিয়া প্রকল্প ও ইয়াং বাংলার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আইডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২১ সাল নাগাদ এক হাজারের বেশি স্টার্টআপ চালু করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অনেক আইডিয়া থাকে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পার করার পর অধিকাংশ সময় তা আর বাস্তবায়ন হয় না। সে কারণেই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমাদের “স্টুডেন্ট টু স্টার্ট আপ” আয়োজন। প্রথম পর্বে ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই আয়োজন করা হলেও পর্যায়ক্রমে সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।’

পলক বলেন, ‘তরুণরা চাকরি খুঁজবে না, চাকরি দেবে। আমরা তরুণদের হাতে এক দিনের খাবার তুলে দিতে চাই না। সারা জীবনের খাবার তুলে দিতে চাই। আপনি কাউকে একটি মাছ কিনে দিলে এক দিনের খাবার তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু তাকে মাছ ধরা শিখিয়ে দিলে সারা জীবনের খাবার তুলে দিলেন। আমরাও সেভাবে কাজটি করতে চাচ্ছি।’

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সচিব এনএম জিয়াউল আলম, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর কো-অর্ডিনেটর তন্ময় আহমেদ, আইডিয়া প্রকল্পের প্রজেক্ট ডিরেক্টর সৈয়দ মজিবুল হক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আইডিয়া প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মজিবুল হক বলেন, ‘যেসব স্টার্টআপের প্রোডাক্ট ভ্যালু আছে, তাদের জন্য কোটি টাকা সিড মানি দিয়ে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত আছে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড।’

উল্লেখ্য, দেশের আট বিভাগের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলবে ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চেপ্টার ওয়ান’-এর কার্যক্রম। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থী ছাড়াও অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন করতে পারবে। সেখানে ইয়াং বাংলার ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডরদের সহায়তায় পরিচালিত প্রতিযোগিতা থেকে গড়ে তিনটি দল বাছাই করা হবে।

৪০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা এই ১২০ দল নিয়ে প্রথম বারের মতো ‘জাতীয় স্টার্টআপ ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত হবে সাভারে। সেখান থেকে দর্শক ভোট এবং বিচারকদের ভোটে বাছাই করা হবে মূল প্রতিযোগিতার ৩০ স্টার্টআপ। আইডিয়া প্রকল্পের বাছাই কমিটি এবং অন্যান্য বিচারকের সাহায্যে ১০ স্টার্টআপ জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এই দলগুলো নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অর্থ ও পরামর্শসহ যাবতীয় সহায়তা পাবে আইডিয়া প্রকল্প থেকে।

প্রিয় প্রযুক্তি/আজাদ চৌধুরী