নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

অনিয়ম দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ভোট বন্ধ: ইসি

রবিবার ৭৮টি উপজেলায় ভোট নেওয়া হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। পাঁচ দফায় হতে যাওয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এটি প্রথম ধাপ।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০১৯, ২০:৩৮ আপডেট: ০৯ মার্চ ২০১৯, ২০:৩৮
প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০১৯, ২০:৩৮ আপডেট: ০৯ মার্চ ২০১৯, ২০:৩৮


নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কোথাও কোনো রকম অনিয়ম দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনে অনিয়মের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।

৯ মার্চ, শনিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এসব বিষয়ে কমিশন সংশ্লিষ্টদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আগামী রবিবার (১০ মার্চ) ৭৮টি উপজেলায় ভোট নেওয়া হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। পাঁচ দফায় হতে যাওয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এটি প্রথম ধাপ।

সংবাদ সম্মেলনে মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘কমিশন কড়া নির্দেশনা দিয়েছে। যদি কোথাও কোনো রকম অনিয়ম দেখা যায় তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে সেই কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমরা মনে করি উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে একটি স্থানীয় নির্বাচন। প্রার্থীরা যথেষ্ট তৎপর থাকেন। তারা সেভাবে প্রচার করেছেন, ক্যাম্পেইন করেছেন এবং আমরা মনে করি উপজেলা নির্বাচনে উপস্থিতির হার অনেক বেশি হবে। এটা আমার ধারণা।’

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা সিটি নির্বাচনের বিষয়ে আপনারা জানেন যে, অল্প সময় ছিল এবং দিনটিও ছিল অত্যন্ত বর্ষামুখর। বিভিন্ন কারণে হয়তো উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। নতুন যে ওয়ার্ডগুলো ছিল যেখানে কাউন্সিলররা নির্বাচন করেছে, সেখানে কিন্তু উপস্থিতির সংখ্যা বেশি ছিল। উপজেলা পর্যায়ে কিন্তু উপস্থিতি বেশিই থাকে।’

অনিয়মে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কি কোনো নজির আছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনেক সময় কিন্তু হয়েছে। একেবারে যে হয়নি তা না। বিভিন্ন সময়ে আমরা করেছি। স্পেসিফিক যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

‘এমন কোনো নিদর্শন দেখাতে পারবেন না যেখানে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত অবহেলা করেছে। এ রকম আপনি লক্ষ করবেন না। সব সময় নির্বাচন কমিশন তার স্বঅবস্থানে রয়েছে।’

তিন উপজেলার ভোট বন্ধ করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কমিশন মনে করেছে যে, এখানে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন এ পর্যায়ে সম্ভব নয়। পরবর্তীতে এ উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠান করা হবে। কমিশন সন্তুষ্ট হয়েছেন যে, এই নির্বাচন বন্ধ করা প্রয়োজন।’

লিখিত বক্তব্যে মোখলেছুর রহমান জানান, গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রথমে ৮৭টি উপজেলায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন কমিশন। তার মধ্যে থেকে আদালতের আদেশে তিনটি ও কমিশন তিনটি উপজেলার ভোট স্থগিত করে। এ ছাড়া তিনটি উপজেলার সব পদে একক প্রার্থী থাকায় সেখানে ভোটের প্রয়োজন পড়বে না। সুতরাং রোববার ৭৮টি উপজেলায় ভোট হবে।

এসব উপজেলায় মোট ভোটার ১ কোটি ৪২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫০ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ৫ হাজার ৮৪৭টি। চেয়ারম্যান পদে ২০৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৩৮৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৪৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

‘প্রথম ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২৮ জন। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ছয়জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাতজন রয়েছেন।’

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...