বিটিআরসির অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি: সংগৃহীত

‘কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলেই টেলিকম সেবায় জনগণ আরও সুফল পাবে’

মন্ত্রী বলেন, ‘টেলিযোগাযোগ খাতে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিটিআরসির কাজ হচ্ছে শৃঙ্খলার বিধান করা। এ ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে বিটিআরসির সামনে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই।’

রাকিবুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:২০ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:২৬
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:২০ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:২৬


বিটিআরসির অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন হলে টেলিকম সেবা নিয়ে জনসাধারণের ভোগান্তি আর থাকবে না বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

মন্ত্রী বলেন, ‘টেলিযোগাযোগ খাতে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিটিআরসির কাজ হচ্ছে শৃঙ্খলার বিধান করা। এ ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে বিটিআরসির সামনে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। যেটুকু কর্মপরিকল্পনা এ পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়েছে, তা সঠিক বাস্তবায়ন হলেই টেলিকম সেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ সমাধান করতে পারব।’

১৩ মার্চ, বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসির জন্য ১২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিফলক উন্মোচন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা ডিজিটাল শিল্পবিপ্লব একটা বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতার জায়গায় পৌঁছেছে এবং গত ১০ বছরে প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ বিদেশিদের সাহায্য করার মতো সামর্থ্য অর্জন করেছে। দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করাটা চ্যালেঞ্জিং হওয়া সত্ত্বেও বিটিআরসিকে নিয়ে আমরা সুন্দরভাবে কাজ করছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রযুক্তিতে ৩২৪ বছর পিছিয়ে থেকেও গত ১০ বছরে ডিজিটাল বিপ্লবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ প্রায় ১৬ কোটি মোবাইল ফোন সংযুক্তি দিয়েছে। ২০০৮ সালে এ হার ছিল চার কোটি ৪৬ লাখ। বাংলাদেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ব্যবহার হচ্ছে ১২শ জিবিপিএস। ২০০৮ সালে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার হতো মাত্র ৭ দশমিক ৫ জিবিপিএস।’

‘আমার গ্রাম আমার শহর’ শীর্ষক আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে টেলিযোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্টতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কানেকটিভেটি। আমার গ্রাম আমার শহরের অর্থ ডিজিটাল গ্রাম। কানেকটিভিটি এবং প্রযুক্তি গ্রামের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হবে।’

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘সরকারের দেওয়া সকল সুযোগ কাজে লাগিয়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনে আরও তৎপর হতে হবে।’

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক এবং স্থাপত্য অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম নাসির বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিলে একনেক কর্তৃক বিটিআরসির ১২ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন লাভ করে। গণপূর্ত অধিদফতর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২০২ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

প্রিয় প্রযুক্তি/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


loading ...