সীমিত ওভারের ক্রিকেটের মতো টেস্টেও নো বলে চালু হাচ্ছে ফ্রি হিট। ছবি: সংগৃহীত

টেস্টে ফ্রি হিট আনার প্রস্তাব, আসতে পারে ঘড়িও!

এখানেই শেষ নয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে না পারলে পেনাল্টি রান পাবে প্রতিপক্ষ দল।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:০৫ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:০৫
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:০৫ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:০৫


সীমিত ওভারের ক্রিকেটের মতো টেস্টেও নো বলে চালু হাচ্ছে ফ্রি হিট। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ক্রিকেট অঙ্গনে অনেকদিন ধরে শোনা যাচ্ছে, টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা দিন দিন কমে যাচ্ছে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির যুগে ক্রিকেটের এই অভিজাত সংস্করণের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন ভক্ত-সমর্থক ও ক্রিকেটপ্রেমীরা। দর্শক টানতে কয়েক বছর আগে চালু হয়েছে দিবারাত্রির টেস্ট। তবে ক্রিকেটারদের সময় নষ্ট করার প্রবণতা ও স্লো ওভার রেট এখনো টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত সমস্যা।

ইদানীং ক্রিকেটাররা এতটা সময় নষ্ট করেন যে, অনেক ক্ষেত্রে দিনের নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে বেশি সময় দিলেও নির্ধারিত ৯০ ওভার পূর্ণ করতে পারেন না বোলাররা। সময়ের এই অপচয় থামাতে এবার টেস্টে চালু হতে যাচ্ছে ‘টাইমার’ পদ্ধতি। এর ফলে ব্যাটসম্যান, ওভার ও বোলার পরিবর্তনের মতো স্কোরবোর্ডে সময়ের হিসেবও দেখা যাবে।

এখানেই শেষ নয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে না পারলে পেনাল্টি রান পাবে প্রতিপক্ষ দল। এ ছাড়া সীমিত ওভারের ক্রিকেটের মতোই টেস্টেও নো বলে ফ্রি হিট চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতদিন ধরে শুধু ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টিতে ফ্রি হিট ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে কমিটির সদস্যের দাবি, ফ্রি হিট থাকলে টেস্টেও বোলাররা নো বল করার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকবেন।

টেস্ট ক্রিকেটের গতি ও আকর্ষণ আরও বাড়াতে এমনটাই সুপারিশ করেছেন মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বিশ্ব ক্রিকেট কমিটি। এমসিসির এই কমিটিতে শেন ওয়ার্ন, কুমার সাঙ্গাকারা, সৌরভ গাঙ্গুলিরিকি পন্টিংয়ের মতো তারকা ক্রিকেটারদের পাশাপাশি রয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। গেল ৮ ও ৯ মার্চ ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত এমসিসির বিশ্ব ক্রিকেট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় টেস্ট ক্রিকেটের উন্নয়নে নানা ধরনের প্রস্তাব ও পরামর্শ দেন এমসিসির বিশ্ব ক্রিকেট কমিটির সদস্যরা। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, দুই ওভারের মাঝখানে ৪৫ সেকেন্ড সময় দেওয়া হবে। ওভার শেষে নতুন ব্যাটসম্যান এলে সেই সময় বেড়ে হবে ৬০ সেকেন্ড। তবে বোলার ও ব্যাটসম্যান একইসঙ্গে বদল হলে দেওয়া হবে ৮০ সেকেন্ড। সময় রক্ষা করতে না পারলে প্রথমবার সতর্ক করা হবে। পরেরবার একই অপরাধে বিপক্ষ দলকে পাঁচ রান পেনাল্টি দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করেন তারা।

ব্যাটসম্যান আউট হলেও এই ঘড়ি চালু হয়ে যাবে। ক্রিজ থেকে ড্রেসিংরুমের দূরত্ব অনুযায়ী ঘড়ির সময় ঠিক করা হবে। এমনকি ড্রিকংস ব্রেকেও ঘড়ি চালু হবে, যেটা শূণ্যে পৌঁছনোর পরই খেলা শুরু করতে হবে। ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমের (ডিআরএস) ক্ষেত্রে টিভি আম্পায়ার ‘নট আউট’ জানানোর পরই ফের খেলা শুরু করতে হবে। শুধু তাই নয়, বিশ্ব জুড়ে একই ব্র্যান্ড ও মানের বল ব্যবহারের সুপারিশও করেছে এই কমিটি।

প্রিয় খেলা/আশরাফ