হামলার সময় আটকে-পড়া দুজনকে মসজিদের পাশে নামাজ পড়তে দেখা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

রক্তমাখা পোশাকেই নামাজ পড়লেন তারা

মসজিদে হামলার পর সেখানকার একটি ছবিতে দুই মুসলিম ব্যক্তিকে রক্তমাখা পোশাকে নামাজ পড়তে দেখে গেছে।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০১৯, ২০:২৮ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৯, ২০:২৮
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০১৯, ২০:২৮ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৯, ২০:২৮


হামলার সময় আটকে-পড়া দুজনকে মসজিদের পাশে নামাজ পড়তে দেখা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে জুমার নামাজ আদায়রত মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায় এক বন্দুকধারী। এ সময় বন্দুকধারীর ব্রাশ ফায়ারে দুই বাংলাদেশিসহ নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪৯ জন। আহত হয়েছেন ২০ জন। ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে নারীসহ চার জনকে। হামলার সময় আটকে-পড়া দুজনকে পরে মসজিদের পাশের রাস্তায় নামাজ পড়তে দেখা গেছে।

এদিকে নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় সময় শুক্রবার দেড়টার দিকে মসজিদে হামলার ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভও করেন অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা ২৮ বছর বয়সী ওই শ্বেতাঙ্গ হামলাকারী। ক্রাইস্টচার্চের ভিডিওটি অনলাইনে না ছড়াতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে পুলিশ।

নিউজিল্যান্ডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্টাফ এক প্রতিবেদনে হামলার পরবর্তী মুহূর্তের একাধিক ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানকার একটি ছবিতে দুই মুসলিম ব্যক্তিকে রক্তমাখা পোশাকে নামাজ পড়তে দেখে গেছে।

এদিকে হামলাকারীর কাছে একটি বড় বন্দুক ও কয়েকশ রাউন্ড গুলি ছিল। তিনি গায়ে মিলিটারিদের মতো পোশাক পরে ছিলেন বলে জানিয়েছেন হামলার সময় আটকে-পড়া এক ব্যক্তি।

প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, ‘তিনি (বন্দুকধারী) ভেতরে ঢুকলেন এবং মসজিদের সবাইকে শ্যুট করা শুরু করলেন। কমপক্ষে ৫০ বার গুলি ছুড়েছেন তিনি। তার সঙ্গে একাধিক ম্যাগাজিন ছিল। কয়েকশ রাউন্ড হতে পারে।’

তিনি জানান, হামলাকারীর মাথায় হেলমেট থাকায় তার সম্পূর্ণ চেহারা দেখতে পারেননি তিনি।

হাতের রক্ত কাপড় দিয়ে আটকে তিনি আরও জানান, হামলার সময় মসজিদের একটি গ্লাস হাত দিয়ে ভেঙে তিনি পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। এ সময় গ্লাসের সঙ্গে লেগে তার হাত কেটে যায়।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘জানালা ও দরজার গ্লাস ভেঙে সবাইকে বের করতে হয়েছিল। আমরা চেষ্টা করছিলাম, যেভাবেই হোক সবাইকে এই এলাকা থেকে দৌড়ে দূরে পাঠানোর। কিন্তু আমরা সবার জন্য দরজা খুলতে পারিনি।’

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...