রুবেল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

‘এই মসজিদে আমিও নামাজ পড়ে এসেছি’

সর্বশেষ গেল ১৫ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামার আগে এই মসজিদেই জুমার নামাজ আদায় করেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০১৯, ১২:২৯ আপডেট: ১৬ মার্চ ২০১৯, ১২:২৯
প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০১৯, ১২:২৯ আপডেট: ১৬ মার্চ ২০১৯, ১২:২৯


রুবেল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) অল্পের জন্য মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন নিউজিল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। শুক্রবার (১৫ মার্চ) ক্রাইস্টচার্চের দীন অ্যাভিনিউতে আল নুর মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারান ৪৯ জন। নিহতদের তালিকায় থাকতে পারতো বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নামও। কিন্তু অল্পের জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা পান তারা।

ক্রাইস্টচার্চের হামলা নিয়ে ইতোমধ্যেই সরব হয়েছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বইছে নিন্দার ঝড়। এই তালিকায় ইতোমধ্যেই নাম লিখিয়েছেন বিশ্বের অনেক সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার। একই সঙ্গে তামিম-মুশফিকরা নিরাপদে থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা।

এই তালিকা থেকে বাদ যাননি বাংলাদেশি ক্রিকেটাররাও। মাশরাফি বিন মুর্তজা-সাকিব আল হাসানের পর ক্রাইস্টচার্চ হামলায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন। এ ছাড়াও অতীতে ক্রাইস্টচার্চের এই মসজিদে নামাজ পড়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন ডানহাতি এই পেসার।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে গেলে সাধারণত এই মসজিদেই নামাজ আদায় করেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সর্বশেষ গেল ১৫ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামার আগে এই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। এ সময় দলের সঙ্গেই ছিলেন রুবেল। কিন্তু টেস্ট দলে না থাকায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই দেশে ফেরেন তিনি।

ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে রুবেল লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ সব কিছুর মালিক। এই মসজিদে (আল নুর মসজিদ) আমিও নামাজ পড়ে এসেছি। এটা একটা পরিকল্পিত হামলা। মহান আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া আমাদের ক্রিকেটারদেরকে রক্ষা করেছেন এত বড় একটা দুর্ঘটনা থেকে। যে সমস্ত মুসলমান ভাইয়েরা মারা গেছে আল্লাহ তাদেরকে জান্নাত নসিব করুন। আমিন।’

শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চের স্থানীয় সময় দুপুর ১ট ৪০ মিনিটের দিকে আল নুর মসজিদে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এদিন মাত্র ৫ মিনিট আগে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা মসজিদে পৌঁছালেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। কারণ জুমার নামাজ আদায় করার জন্য দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ের মসজিদে ঢোকার কথা ছিল।

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সংবাদ সম্মেলন শেষ করে মসজিদে যেতে যেতে ১টা ৪০ বেজে যায়। মসজিদ থেকে ৫০ গজ দূরে থাকতে হামলার খবর পান বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। হামলার খবর শুনে সঙ্গে সঙ্গে বাসের মেঝেতে শুয়ে পড়েন তারা। পরবর্তী সময়ে হ্যাগলি পার্কের রাস্তা ধরে স্টেডিয়ামে ফিরে যান তারা। এরপর স্টেডিয়াম থেকে নিরাপদে টিম হোটেলে পৌঁছান তামিম-মুশফিকরা।

প্রিয় খেলা/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...